অবশেষে আলোর মুখ দেখেও কেন থমকে গেল বিশ্বভারতী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট সোসাইটির নির্বাচন?

প্রায় পাঁচ বছর পর বিশ্বভারতী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট সোসাইটির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয়েছিল নতুন আশা। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ থেকে শুরু করে আগামী ২২ নভেম্বর ভোটগ্রহণের সমস্ত প্রস্তুতিও চূড়ান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু পুজোর ঠিক মুখেই ফের স্থগিত হয়ে গেল এই নির্বাচন প্রক্রিয়া। বীরভূম রেঞ্জের ডেপুটি রেজিস্ট্রার অব কো-অপারেটিভ সোসাইটিজ তথা রিটার্নিং অফিসার নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দিয়ে জানান, ভোটার তালিকা থেকে মৃত সদস্যদের নাম বাদ দেওয়া এবং সার্বিক সংশোধনের আবেদনের প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১,২০০ সদস্য ও ৫৯ জন প্রতিনিধি নির্বাচনের এই প্রক্রিয়ায় বুধ ও বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমার কথা থাকলেও, আপাতত তা ভেস্তে গেল।
তবে সমবায় দপ্তরের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে এটি সম্পূর্ণ বাতিল নয়, বরং সাময়িক স্থগিতাদেশ। পুজোর ছুটি শেষ হলে যে পর্যায় থেকে কাজ থেমেছিল, সেখান থেকেই পুনরায় নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। কিন্তু টানা পাঁচ বছর পর ভোটের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভে ফুসছেন বিশ্বভারতীর কর্মী, অধ্যাপক ও পেনশনভোগী সদস্যরা। দীর্ঘদিন পরিচালন পর্ষদ না থাকা এবং বকেয়া লভ্যাংশ না পাওয়ার হতাশা নিয়ে আন্দোলনে থাকা প্রতিনিধিরা এই বিলম্বের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপত্তি না জানিয়ে শেষ মুহূর্তে প্রক্রিয়া বানচাল করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। দ্রুত নতুন পর্ষদ গঠনের দাবি জানিয়ে অবিলম্বে নির্বাচন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।