এলপিইউতে তাণ্ডব: পাঞ্জাবকে অস্থিতিশীল করতে কি সীমান্তের ওপার থেকে ছড়ানো হয়েছিল গুজব?

পাঞ্জাবের ফগওয়ারার লভলি প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটিতে (এলপিইউ) সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনায় বড়সড় ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ অশোক মিত্তল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই ক্যাম্পাসে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে জাতীয় সড়ক অবরোধ ও সহিংসতায় রূপ নেয়। মিত্তলের দাবি, এই ঘটনাটি কেবল বিশ্ববিদ্যালয় বা তাঁকে নিশানা করে করা হয়নি; সীমান্তবর্তী রাজ্য পাঞ্জাবের শান্তি বিনষ্ট করতে সীমানার ওপার অর্থাৎ পাকিস্তানের কোনো চক্রান্ত থাকতে পারে। চণ্ডীগড়ের চিত্রকারা বিশ্ববিদালয়ে একই কায়দায় রেডিটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের কথা উল্লেখ করে তিনি এই ঘটনাকে গভীর চক্রান্তের অংশ বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
তবে সাংসদের এই আশঙ্কার পক্ষে পুলিশি তদন্তে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের কোনো প্রত্যক্ষ যোগাযোগের প্রমাণ মেলেনি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল তথ্যের ভিত্তিতে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও সংঘর্ষের অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওয়াকিটকি হাতে যাদের দেখা গিয়েছিল তারা কোনো বহিরাগত দুষ্কৃতী নয়, বরং সেনাসদস্য ছিলেন। পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট তলব করেছে এবং সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যের উৎস খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৮ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।