ইরানে কী এবার সরাসরি সেনা অভিযান? মধ্যপ্রাচ্যে ৩টি যুদ্ধজাহাজ ও ২০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প!

ইরানে কী এবার সরাসরি সেনা অভিযান? মধ্যপ্রাচ্যে ৩টি যুদ্ধজাহাজ ও ২০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প!

যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরানের মাটিতে আমেরিকার সরাসরি সেনা নামানোর জল্পনা তীব্র হলেও তা সাময়িকভাবে ধামাচাপ পড়েছিল। তবে সংঘর্ষবিরতির সম্ভাবনা পুরোপুরি বাতিল হওয়ার পর তেহরানকে ঘেরাও করতে নতুন করে কৌশল সাজাতে শুরু করেছে পেন্টাগন। খবর অনুযায়ী, সান দিয়েগো থেকে পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে, যাতে প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার সেনা ও নাবিক রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় আগে থেকেই মোতায়েন থাকা ইউএসএস জর্জ ডব্লু বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনের সাথে এই জাহাজটি যুক্ত হলে আরব সাগরে আমেরিকার শক্তিশালী তিনটি রণতরী একসাথে অবস্থান করবে। ২০২৬ সালের পর এই প্রথম সংবেদনশীল মধ্যপ্রাচ্যে একসাথে তিনটি পরমাণু চালিত যুদ্ধজাহাজ পাঠালো ওয়াশিংটন।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনার মোট উপস্থিতি ৫০ হাজার অতিক্রম করেছে, সেই সঙ্গে মোতায়েন রয়েছে অন্তত ২০টি প্রথম সারির যুদ্ধজাহাজ। অফিসিয়ালি হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের সুরক্ষার কথা বলা হলেও, বিশেষজ্ঞ মহলের মতে এটি ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বৃহৎ সামরিক অভিযানেরই পূর্বপ্রস্তুতি। সম্প্রতি ইরানের দেয়া শর্ত আমেরিকা প্রত্যাখ্যান করার পর ট্রাম্প তেহরানকে ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। অন্যদিকে পাল্টা জবাব হিসেবে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও আইআরজিসি-কে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রেখেছে ইরান। মার্কিন যেকোনো উসকানি বা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের চেষ্টায় কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মেঘ আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *