কেন দেবীর নাম দুর্গা হলো? জানুন নামের অক্ষরগুলোর অবাক করা অর্থ ও অসুর বধের অজানা ইতিহাস!

মহিষাসুর বধের কথা সবার জানা থাকলেও, পুরাণে এর অনেক আগে এক ভয়ঙ্কর অসুর দুর্গমাসুরকে বধ করার কাহিনি বর্ণিত আছে। দুর্গমাসুর বর নিয়ে বেদ চুরি করে পাতালে লুকিয়ে রাখলে সমগ্র সৃষ্টিতে ভয়াবহ খরা ও সংকট নেমে আসে। তখন পৃথিবীকে বাঁচাতে আদি পরাশক্তি শতাক্ষী ও শাকম্ভরী রূপে অবতীর্ণ হন দেবী। পরবর্তীতে দীর্ঘ যুদ্ধের পর দেবী ত্রিশূল দিয়ে দুর্গমাসুরের বুক চিরে তাকে বধ করেন। সমগ্র সৃষ্টিকে এই চরম ‘দুর্গতি’ থেকে রক্ষা করার কারণেই দেবতারা তাঁর নামকরণ করেন ‘দুর্গা’।
অন্যদিকে, দেবীভাগবত পুরাণ ও তন্ত্র মতে ‘দুর্গা’ নামের প্রতিটি অক্ষরের রয়েছে গভীর তাৎপর্য। এর ‘দ’ অক্ষরটি দৈত্যনাশ, ‘উ’ উৎপাতনাশ, ‘র’ রোগনাশ, ‘গ’ পাপনাশ এবং ‘আ’ অক্ষরটি ভয় ও শত্রু নাশ করার প্রতীক। অর্থাৎ, যিনি সমস্ত আসুরিক শক্তি, বিঘ্ন, রোগ এবং পাপ হরণ করে ভক্তকে রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গতিনাশিনী দুর্গা।