‘আমৃত্যু নন্দীগ্রামেরই ভোটার থাকব!’ টোটোয় চেপে ভোট দিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

‘আমৃত্যু নন্দীগ্রামেরই ভোটার থাকব!’ টোটোয় চেপে ভোট দিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

নন্দীগ্রাম: রাজ্য রাজনীতির নজরাকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার সকালে সাধারণ মানুষের মতোই টোটোয় চেপে নন্দনায়কবাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৯ নম্বর বুথে পৌঁছান তিনি। তবে এবার বিরোধী দলনেতা হিসেবে নয়, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে এই কেন্দ্রে প্রথমবার ভোট দিলেন তিনি।

এক নজরে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তার মূল পয়েন্ট:

  • টোটোয় চেপে বুথে আগমন: প্রতিবারের মতো এবারও টোটোয় চেপে ভোটকেন্দ্রে যান এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে ২০০ মিটার আগেই নেমে হেঁটে বুথে প্রবেশ করেন।
  • আমৃত্যু নন্দীগ্রামের ভোটার থাকার অঙ্গীকার: ভবানীপুর আসন রাখলেও নন্দীগ্রামের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক বজায় রাখার বার্তা।
  • রেকর্ড জয়ের আশাবাদ: ২০১৬ সালের ৮২ হাজারের জয়ের রেকর্ড এবার ভেঙে যাবে বলে বিশ্বাস প্রকাশ।
  • আইন সবার জন্য সমান: রেজিনগরে বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া।

‘আমৃত্যু নন্দনায়কবাড়ের ভোটার তালিকায় নাম থাকবে’

ভোট দিয়ে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কালের নিয়মে সবাইকেই একদিন যেতে হবে। তবে আমার অঙ্গীকার, আমৃত্যু আমি নন্দনায়কবাড়ের ভোটার তালিকায় নাম রাখব। আজীবন এখানকারই ভোটার থাকব।” তিনি আরও জানান, নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ২০১৬ সালে ৮২ হাজার ভোটে জয়ের স্মৃতি টেনে তিনি আশাপ্রকাশ করেন যে, এবার সেই রেকর্ডও ভাঙবে এবং মানুষ ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাজ্য সরকারের ওপর বিশ্বাস রাখবে।

শান্তিপূর্ণ ভোট ও বিধি মেনে চলা

নির্বাচন কমিশনের বিধি বজায় রেখে ভোটকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে রাজনৈতিক কোনো মন্তব্য করেননি মুখ্যমন্ত্রী। ২০০ মিটার পথ হেঁটে এসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। তিনি জানান, নন্দীগ্রামে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে এবং প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে তিনি আশাবাদী।

হুমায়ুন কবীরের গ্রেফতারি নিয়ে প্রতিক্রিয়া

এ দিন রেজিনগরে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে নওদার ‘আমজনতা উন্নয়ন পার্টি’র বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গ্রেফতার হন। সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানান, “আইন সকলেরই মেনে চলা উচিত। যে বিধিভঙ্গের কারণে নওদার বিধায়ক গ্রেফতার হয়েছেন, তা থেকে শিক্ষা নেওয়া দরকার। আইন কারও জন্য আলাদা হতে পারে না।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *