দেশে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’! সরকার পেয়ে গেল চূড়ান্ত আল্টিমেটাম, এবার রবিবারের পরেই বিশাল ধামাকা?
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/07/24/wangchuk-dipke-2026-07-24-16-05-18.jpg?w=1280&fit=1280,720&ssl=1)
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হওয়া রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মীদের পুলিশি গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে উত্তাল দিল্লি। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করার পাশাপাশি লাদাখের পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, দেশে কার্যত একটি ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ চলছে। দিল্লির যন্তর মন্তরে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের বিরুদ্ধে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সহ অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকারের মতো চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং শীর্ষ স্থানীয় বিরোধীরা পুলিশের হাতে আটক হন। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এই ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছেন পরিবেশ আন্দোলনকারী ওয়াংচুক।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ওয়াংচুক চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, রবিবার বিকেলের মধ্যে আটক নেতাদের সসম্মানে মুক্ত করা না হলে তিনি নিজে নতুন করে অনশন বা পদযাত্রার মতো বড় কোনো আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন। তিনি সরাসরি দিল্লিতে উপস্থিত না থাকলেও নির্বাচন কমিশন বিরোধী এই ন্যায়সংগত রাজনৈতিক লড়াইয়ে পুরো সমর্থন জানিয়েছেন। রাজধানীতে কড়া প্রশাসনিক বিধিনিষেধ ও বিরোধীদের আটকের পর দেশের রাজনীতি এখন বেশ উত্তপ্ত। সোনম ওয়াংচুকের দেওয়া রবিবারের আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার পর লাদাখের এই প্রখ্যাত সমাজকর্মী পরবর্তীকালে কোন পদক্ষেপ নেন এবং আন্দোলন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর পুরো রাজনৈতিক মহলের।