অভাব দূর করে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি আনতে চান? ফেংশুইয়ের এই ৩টি বিশেষ কয়েন আজই রাখুন ঘরে!

বাড়িতে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় রাখতে এবং ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে অনেকেই ফেংশুইয়ের নানা নিয়ম মেনে চলেন। ঠিক যেমন অনেকে বাস্তু মেনে ঘরে লক্ষ্মী যন্ত্র, কুবের যন্ত্র বা কূর্ম অবতারের মূর্তি রাখেন, তেমনই ফেংশুইয়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপকরণ হলো বিশেষ ধরনের চিনা কয়েন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই কয়েনগুলি অর্থ, সৌভাগ্য ও প্রাচুর্যের প্রতীক। সাধারণত লাল সুতোয় বাঁধা এই কয়েন বাড়ি, অফিস কিংবা পার্সে রাখা হয়। ফেংশুই মতে, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই কয়েনগুলি রাখলে জীবনে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ অবিরত বজায় থাকে।
কী এই ফেংশুই কয়েন?
চিনা ফেংশুই কয়েন সাধারণত গোলাকার হয় এবং এর ঠিক মাঝখানে একটি চৌকো ছিদ্র থাকে। ঐতিহ্যগত ভাবে এই কয়েনকে অর্থ ও সমৃদ্ধির প্রধান প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অনেক সময় কয়েকটি কয়েন একসঙ্গে লাল সুতোয় বেঁধে রাখা হয়। ফেংশুই শাস্ত্র অনুযায়ী, লাল রং শক্তি, সুরক্ষা ও শুভ ঘটনার প্রতীক। সেই কারণেই এই কয়েনের সঙ্গে লাল সুতো ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।
কোথায় ও কীভাবে রাখবেন ফেংশুই কয়েন?
- বাড়ির প্রধান দরজা: ফেংশুই মতে, বাড়ির প্রধান দরজা দিয়েই ইতিবাচক শক্তি প্রবেশ করে। তাই প্রধান দরজার কাছাকাছি চিনা কয়েন রাখা বা লাল সুতোয় বেঁধে ঝুলিয়ে রাখা অত্যন্ত শুভ। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এর ফলে বাড়িতে সবসময় সমৃদ্ধির পরিবেশ বজায় থাকে।
- পার্সে বা ওয়ালেটে: অর্থ ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে তিনটি চিনা কয়েন লাল সুতোয় বেঁধে পার্সে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, পার্স সবসময় পরিষ্কার ও গোছানো রাখার উপরেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- অফিসের ডেবিলে: কর্মজীবনে উন্নতি এবং নতুন সুযোগের পথ প্রশস্ত করতে অফিসের ডেস্কেও এই কয়েন রাখা যেতে পারে। নিয়মিত কাজের জায়গায় এগুলি রাখাকে ইতিবাচক শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
- বিছানার নীচে: কিছু ক্ষেত্রে বিছানার নীচেও চিনা কয়েন রাখার কথা বলা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এতে ঘরে ইতিবাচক পরিবেশ ও মানসিক শান্তির আবহ তৈরি হতে পারে। (যদিও এটি সম্পূর্ণ ঐতিহ্যগত বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল।)
কতগুলি কয়েন রাখা শুভ?
ফেংশুইয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, একসঙ্গে তিন, ছয় ও ন’টি কয়েনের সেট রাখা সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হয়। এর মধ্যে বিশেষ করে ন’টি কয়েন সৌভাগ্য ও চরম সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।