গভীর রাতে সার্কিট হাউস ছাড়ার নোটিস! সুপ্রিম কোর্টে মহুয়া মৈত্রের মামলায় কী বলল শীর্ষ আদালত?

কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে মধ্যরাতে আচমকা সার্কিট হাউস ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র উষ্মা প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। নদিয়ার জেলাশাসকের চিঠির কঠোর সমালোচনা করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ করে যে, পুরো পদক্ষেপটিই অত্যন্ত ‘প্রতিহিংসামূলক’। আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণন শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন, গত ১০ বছর ধরে বিধায়ক ও সাংসদ হিসেবে স্বল্প সময়ের নোটিসেই ঘরে থেকেছেন মহুয়া। ঘটনার রাতে অন্যান্য ঘরে একাধিক সরকারি আধিকারিক থাকলেও শুধু সাংসদকেই ঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়, যা সুনির্দিষ্ট বৈষম্যের দিকে ইঙ্গিত করে।
রাজ্যের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা রক্ষণাবেক্ষণের কাজের অজুহাত দিলেও তা খারিজ করে দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, একজন জনপ্রতিনিধি প্রোটোকল অনুযায়ী ঘর পাওয়ার অধিকার রাখেন এবং এ ক্ষেত্রে ৮ ঘণ্টা বা একদিন আগে নোডাল অফিসারের মাধ্যমে নোটিস দিলেই যথেষ্ট। জেলাশাসকের সেই বিতর্কিত চিঠি প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি শীর্ষ আদালত নিশ্চিত করে যে, সাংসদদের থাকার সুবিধা শুধু সাধারণ বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে না, বরং প্রোটোকল মেনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।