৬০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের মুখে মাইক্রোসফট, তবুও কেন বিপুল ঋণ? ফাঁস হলো চাঞ্চল্যকর মাস্টারপ্ল্যান!

এআই দৌড়ে টিকে থাকতে বিশাল মূলধন সংগ্রহ ও কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে মাইক্রোসফট
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে মাইক্রোসফট একযোগে দুটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। কো ম্পা নিটি তাদের বৈশ্বিক কর্মী বাহিনীর প্রায় এক-চতুর্থাংশ বা ৬০,০০০ কর্মীকে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেওয়ার (বাইআউট) প্রস্তাব দিয়েছে। একই সময়ে, এআই অবকাঠামো ও ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বাড়াতে তারা বন্ড বাজারের মাধ্যমে ২৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। যদিও কো ম্পা নিটি এই দুই সিদ্ধান্তকে পৃথক হিসেবে দাবি করেছে, তবে প্রযুক্তি ও কর্পোরেট বিশ্বে এর প্রভাব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
মূলধনী ব্যয়ের লক্ষ্য ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা
এআই পণ্য ও ক্লাউড পরিষেবার প্রসারে বিপুল কম্পিউটিং ক্ষমতার প্রয়োজন, যার জন্য ২০২৬ সাল নাগাদ মাইক্রোসফটের মূলধনী ব্যয় ১৭৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই বিশাল খরচ নির্বাহ করতেই ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো বন্ড বাজারে ফিরেছে প্রযুক্তি জায়ান্টটি। দীর্ঘমেয়াদী এই তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বিনিয়োগকারীদের সাড়া ছিল অভাবনীয়; বন্ড কেনার জন্য চাহিদার চার গুণেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ১১৫ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাব জমা পড়েছে। বিনিয়োগকারীদের এই অভূতপূর্ব আগ্রহ মাইক্রোসফটের এআই কৌশলের প্রতি বাজারের অগাধ আস্থাকেই প্রতিফলিত করে।
এক ঝলকে
- এআই অবকাঠামো ও ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ সংগ্রহ করছে মাইক্রোসফট।
- দক্ষতা বৃদ্ধির কৌশলের অংশ হিসেবে বৈশ্বিক কর্মী বাহিনীর প্রায় ৬০,০০০ কর্মীকে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দেওয়ার (বাইআউট) প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
- ২০২৬ সালের মধ্যে মাইক্রোসফটের সম্ভাব্য মূলধনী ব্যয় ১৭৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- বন্ডের বিপরীতে চাহিদার তুলনায় ৪.৫ গুণ বেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে, যা প্রযুক্তি খাতের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।