জনগণনার ধাক্কায় কি পিছিয়ে যাবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা?

আসন্ন দেশীয় জনগণনা প্রক্রিয়ায় রাজ্যের বিপুল সংখ্যক স্কুলশিক্ষক যুক্ত থাকার কারণে ২০২৭ সালের মাধ্যমিকের পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও পিছিয়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে, যা পূর্বনির্ধারিত ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা সূচির সঙ্গে সংঘাত তৈরি করছে। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও পরিদর্শকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে শিক্ষা সংসদ নতুন খসড়া সূচি তৈরির কাজ শুরু করেছে। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি অসিত মণ্ডল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে মাধ্যমিক পিছোলে উচ্চমাধ্যমিকও পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই।
মাধ্যমিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে ১৫ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে আগামী ২ থেকে ১৬ মার্চ নতুন সূচি চালুর প্রস্তাব ইতিমধ্যেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে স্কুলশিক্ষা দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের এই প্রস্তাবের পর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদও ১৬ মার্চের পর থেকে পরীক্ষা শুরু করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর ও নবান্নের চূড়ান্ত সবুজ সংকেত মিললেই এই পরিবর্তিত সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। জনগণনার কাজ নির্বিঘ্ন রাখার পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে আজই দপ্তরে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে বিশেষ আলোচনায় বসবেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মণ।