কপার-টি থাকা সত্ত্বেও প্রেগন্যান্সি পজিটিভ! কতটা নিরাপদ এই সন্তান?

কপার-টি অত্যন্ত কার্যকর এবং দীর্ঘমেয়াদি গর্ভনিরোধক হলেও, এর ব্যবহারেও কদাচিৎ গর্ভধারণের সম্ভাবনা থেকে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী, কপার-টি সঠিক স্থানে না থাকা কিংবা জরায়ু থেকে সামান্য সরে যাওয়ার কারণেই মূলত এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ আসার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ এই ধরনের ক্ষেত্রে গর্ভটি জরায়ুর ভেতরে নাকি বাইরে অর্থাৎ এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি, তা নিশ্চিত করা সবার আগে প্রয়োজন।
গর্ভধারণের পর প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়, যার মাধ্যমে জরায়ু ও কপার-টির অবস্থান স্পষ্টভাবে জানা যায়। চিকিৎসকরা সাধারণত গর্ভটি নিরাপদে থাকলে কপার-টি সাবধানে অপসারণের পরামর্শ দেন, তবে এই পুরো প্রক্রিয়াটিতে সামান্য ঝুঁকিও থাকতে পারে। কপার-টি নিজে থেকে গর্ভের শিশুর জন্মগত ত্রুটি ঘটায় না, কিন্তু সঠিক সময়ে চিকিৎসাগত পদক্ষেপ না নিলে তা মা ও অনাগত সন্তানের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই যেকোনো জটিলতা এড়াতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা বাঞ্ছনীয়।