প্রথমবার জিমে যাচ্ছেন? ভুলেও এই ৫টি ভুল করবেন না!
September 3, 20266:34 am

প্রথমবার জিমে পা রাখা এক দারুণ রোমাঞ্চকর অনুভূতি! তবে চারপাশে ভারী সব ফিটনেস সরঞ্জাম, অভিজ্ঞ শরীরচর্চাবিদ আর জটিল সব মেশিনের ভিড়ে নতুনরা প্রায়ই দিকবিদিক হারিয়ে ফেলেন। কোনটা জিম-শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে আর কোনটা নয়, তা না জানার কারণে অজান্তেই কিছু ভুল হয়ে যায়। এর ফলে কেবল অন্য সদস্যরা বিরক্ত হন তা-ই নয়, নিজেকেও পড়তে হয় চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে।
ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চা মানে শুধু ঘাম ঝরানো নয়; জিমের অলিখিত নিয়মকানুন ও সৌজন্য বজায় রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নতুনদের কোন ৫টি ভুল থেকে শতহাত দূরে থাকা উচিত, দেখে নিন:
- জিনিসপত্র যথাস্থানে না রাখা ও অপরিচ্ছন্নতা: ব্যায়ামের পর বেঞ্চে জমানো ঘাম মুছে না ফেলা কিংবা ভারী ডাম্বেল-প্লেট ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। এতে পরবর্তী ব্যবহারকারীর যেমন অসুবিধা হয়, তেমনই দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে।
- সরঞ্জাম নিজের দখলে রাখা: দরকারের চেয়ে বেশি ডাম্বেল বা ওয়েট নিজের চারপাশে আটকে রাখা উচিত নয়। জিম একটি যৌথ ব্যবহারের জায়গা, তাই সরঞ্জাম ভাগাভাগি করার মানসিকতা থাকা জরুরি।
- ফোনে উচ্চস্বরে গান বাজানো বা অযথা সময় নষ্ট: হেডফোন ছাড়া লাউডস্পিকারে গান শোনা, অনবরত ফোনে কথা বলা কিংবা সেট শেষ করে মেশিন আঁকড়ে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলস স্ক্রোল করা অন্যের বিরক্তির অন্যতম বড় কারণ।
- ভুল পোশাক ও অতিরিক্ত পারফিউমের ব্যবহার: শরীরচর্চার উপযোগী পোশাক না পরলে যেমন চোট পাওয়ার ঝুঁকি থাকে, তেমনই অতিরিক্ত পারফিউম মেখে জিমে এলে ঘামের সঙ্গে মিশে তা দমবন্ধ করা দুর্গন্ধ তৈরি করতে পারে।
- অন্যের শরীর বা ব্যায়াম নিয়ে অনাহূত মন্তব্য: কাউকে না ডেকেই তার ওয়ার্কআউট পদ্ধতি শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করা বা কারও শরীরের গঠন নিয়ে মন্তব্য করা জিম শিষ্টাচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
প্রথম দিন থেকেই এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে চললে আপনি যেমন নির্ভাবনায় শরীরচর্চা করতে পারবেন, তেমনই জিমের পরিবেশও থাকবে সুন্দর ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।