নজিরবিহীন প্রযুক্তি ২০২৬ বিশ্বকাপে, হাওয়া ভরার পাশাপাশি ম্যাচ শুরুর আগে চার্জ দিতে হবে বলও!

নজিরবিহীন প্রযুক্তি ২০২৬ বিশ্বকাপে, হাওয়া ভরার পাশাপাশি ম্যাচ শুরুর আগে চার্জ দিতে হবে বলও!

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক প্রযুক্তির সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব ক্রীড়ামহল। ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’-র (Trionda) অন্যতম বড় এবং অভিনব বিশেষত্ব হলো, প্রতি ম্যাচ শুরুর আগে এটি নিয়ম করে চার্জ দিতে হবে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ফুটবল মাঠে নামানোর আগে রেফারি ও ম্যাচ পরিচালকদের এখন বলের হাওয়ার পাশাপাশি সেটি ঠিকমতো চার্জ করা হয়েছে কি না, তাও সমান গুরুত্ব দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

সেন্সর সচল রাখতেই অভিনব ব্যবস্থা

বিশ্বকাপের এই বলের ভেতরে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও উচ্চপ্রযুক্তির সেন্সর বসানো রয়েছে। খেলা চলাকালীন বলের সুনির্দিষ্ট গতিবিধি, অফসাইডের নিখুঁত সিদ্ধান্ত এবং সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তির ডেটা সরবরাহ করার ক্ষেত্রে এই সেন্সরটি কাজ করবে। মূলত ম্যাচ জুড়ে এই সেন্সরটিকে সম্পূর্ণ সচল ও সক্রিয় রাখতেই খেলা শুরুর আগে বলটি বৈদ্যুতিক চার্জ দেওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এক চার্জে টানা ছয় ঘণ্টা ব্যাকআপ

বিশ্বকাপের বল প্রস্তুতকারক সংস্থার প্রযুক্তিবিদদের মতে, এই বলটিকে একবার সম্পূর্ণ বা ফুল চার্জ দিলে এর ভেতরের ব্যাটারি ও সেন্সরটি টানা প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে পারবে। ফলে একটি ফুটবল ম্যাচ অতিরিক্ত সময় এবং টাইব্রেকার পর্যন্ত গড়ালেও বলের ভেতরের সেন্সরটি অকেজো হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। মাঠের নিখুঁত সিদ্ধান্ত ও আধুনিক ফুটবলের অগ্রগতির স্বার্থেই এই ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এক ঝলকে

  • ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘ট্রাইওন্ডা’-র অভিনব বিশেষত্ব হলো, ম্যাচ শুরুর আগে এটি বৈদ্যুতিক চার্জ দিতে হবে।
  • বলের ভেতরে থাকা উচ্চপ্রযুক্তির সেন্সরটিকে পুরো ম্যাচ জুড়ে সচল রাখতেই এই চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
  • একবার সম্পূর্ণ চার্জ দিলে বলের ভেতরের সেন্সরটি টানা প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত ডেটা সরবরাহ করতে সক্ষম।
  • এখন থেকে ম্যাচ পরিচালকদের বলের হাওয়ার পাশাপাশি সেটি ঠিকমতো চার্জ করা হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *