ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে পুতিনের পৌষ মাস দাপট বাড়ছে রাশিয়ার তেলের বাজারে

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমোজ প্রণালীতে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় অশোধিত তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যার সরাসরি সুফল পাচ্ছে রাশিয়া। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বর্তমানে মস্কো প্রতিদিন প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত আয় করছে। এক সময়ের ব্রেন্ট ক্রুডের চড়া দামের বাজারে রাশিয়ার ‘ইউরালস ক্রুড’ এখন প্রিমিয়াম দরে বিক্রি হচ্ছে, যা পুতিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে নতুন করে অক্সিজেন জোগাচ্ছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে খোদ আমেরিকাও রাশিয়ার ওপর আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। এই সুযোগে ভারতও রাশিয়ার কাছ থেকে তেলের আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। বর্তমানে ভারত প্রতিদিন প্রায় ১৫ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল কিনছে, যা গত মাসের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি। ওয়াশিংটন এই আমদানিতে বাধা না দেওয়ায় আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে রাশিয়ার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। একদিকে ইউরোপের বাজার হারালেও অন্যদিকে চীন ও ভারতের কাছে জ্বালানি বিক্রি করে বৈশ্বিক তেল রাজনীতির আসল ‘সুলতান’ হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন ভ্লাদিমির পুতিন।