৩১ মার্চের আগে সেরে ফেলুন এই কাজ না হলে গুনতে হবে মোটা অঙ্কের ট্যাক্স

৩১ মার্চ শুধুমাত্র ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়, এটি আপনার পকেটের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেডলাইন। আর্থিক বছর শেষ হওয়ার সাথে সাথে কর বাঁচানোর সুযোগগুলোও হাতছাড়া হয়ে যায়। তাই বাড়তি করের বোঝা এড়াতে এখনই পরিকল্পনা করা জরুরি।
১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড়
আয়কর আইনের ৮০সি (Section 80C) ধারা অনুযায়ী আপনি পিপিএফ (PPF), ইএলএসএস (ELSS), জীবন বিমা এবং হোম লোনের মূল অংকের ওপর ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পেতে পারেন। এছাড়া এনপিএস (NPS)-এ বিনিয়োগ করলে অতিরিক্ত ৫০,০০০ টাকা অর্থাৎ মোট ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ডিডাকশন পাওয়া সম্ভব।
শেয়ার বাজারে ট্যাক্স হার্ভেস্টিং
বিনিয়োগকারীরা ১.২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদী মূলধনী লাভ (LTCG) করমুক্ত রাখতে ট্যাক্স হার্ভেস্টিং কৌশল ব্যবহার করতে পারেন। লোকসানে থাকা শেয়ার বিক্রি করে লাভের ওপর করের পরিমাণ কমানো সম্ভব। লাভ বা লোকসান বুক করার এই প্রক্রিয়াটি ৩১ মার্চের আগেই সম্পন্ন করতে হয়।
চিকিৎসা খরচ ও অন্যান্য সঞ্চয়
৮০ডি (Section 80D) ধারায় নিজের এবং বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য বিমার প্রিমিয়ামের ওপর ২৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়। সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদের ওপর ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় মেলে। এছাড়া জরিমানার হাত থেকে বাঁচতে সময়মতো অ্যাডভান্স ট্যাক্স জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক, অন্যথায় প্রতি মাসে ১ শতাংশ হারে সুদ যোগ হতে থাকে।