বাতিল ভোটারদের জন্য সুখবর, ট্রাইব্যুনালের রায়ে কী জানালেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক?

বাতিল ভোটারদের জন্য সুখবর, ট্রাইব্যুনালের রায়ে কী জানালেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক?

ভোটার তালিকায় নাম নেই? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্বস্তি পেলেন বঞ্চিতরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া লক্ষাধিক মানুষের জন্য বড়সড় সুখবর। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, যে সমস্ত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তারা নির্বাচনের মাত্র দুদিন আগে পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের ছাড়পত্র পেলে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির একটি বিশেষ প্যানেল গঠন করা হয়েছে, যারা দ্রুততার সঙ্গে আবেদনকারীদের নথি যাচাই করবেন।

ট্রাইব্যুনালের ছাড়পত্র ও ভোটাধিকার প্রয়োগের নিয়মাবলী
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রথম দফার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২১ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিলের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের অনুমোদন পাওয়ার সুযোগ থাকছে। নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর তা নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। ভোটাররা সংশ্লিষ্ট বিএলও (BLO), বিডিও অফিস অথবা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে প্রায় ৯১ লক্ষ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্টের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আইনি জটিলতা নিরসন করে ভোটারদের নাম ফিরিয়ে আনার এই প্রক্রিয়া অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথকে আরও প্রশস্ত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এক ঝলকে

  • নির্বাচনের দুদিন আগে পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নাম বাতিলের বিষয়টি ফয়সালা করা যাবে।
  • ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির প্যানেল দ্রুত নথি যাচাই করে নাম তালিকায় যুক্ত করার কাজ করবে।
  • সফটওয়্যারের মাধ্যমে নাম আপডেট হবে এবং ভোটাররা বিএলও, বিডিও অফিস বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তা জানতে পারবেন।
  • এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৯১ লক্ষ মানুষের নাম পুনর্বিবেচনার সুযোগ তৈরি হলো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *