মঞ্চে উঠে হুমায়ুনকে আক্রমণ, ভোটের প্রচারে চরম বিশৃঙ্খলা!

মঞ্চে উঠে হুমায়ুনকে আক্রমণ, ভোটের প্রচারে চরম বিশৃঙ্খলা!

নির্বাচনী প্রচারে হুয়ানম কবীরকে ঘিরে নিরাপত্তা বিভ্রাট, তুঙ্গে রাজনৈতিক চর্চা

মুর্শিদাবাদের নওদায় নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’র চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় এক যুবক আচমকা মঞ্চে উঠে হুমায়ুন কবীরকে জাপটে ধরেন এবং টানাটানি শুরু করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও ‘ওয়াই প্লাস’ (Y+) ক্যাটাগরির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বলয় এড়িয়ে কীভাবে এক ব্যক্তি সরাসরি নেতার নাগাল পেলেন, তা নিয়ে জনমনে প্রবল প্রশ্ন উঠেছে।

নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা পাওয়া সত্ত্বেও এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নানা মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও হুমায়ুন কবীর এই ঘটনাকে ওই যুবকের ‘অতিরিক্ত আবেগ’ বলে অভিহিত করেছেন এবং কোনো অভিযোগ দায়ের করেননি। ঘটনার পরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক হুমায়ুনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। সূত্রের খবর, নিরাপত্তার ফাঁকফোকর খতিয়ে দেখে শুক্রবার থেকেই তাঁর সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

হুমায়ুন কবীর অবশ্য দাবি করেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হলেও তিনি আতঙ্কিত নন। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনো গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও তিনি স্বাভাবিক ছন্দেই নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। নওদা ও রেজিনগর—এই দুই কেন্দ্রে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করায়, এই নিরাপত্তা ত্রুটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এক ঝলকে

  • মুর্শিদাবাদের নওদায় জনসভা চলাকালীন হুমায়ুন কবীরকে জাপটে ধরেন এক যুবক।
  • কেন্দ্রীয় ‘ওয়াই প্লাস’ নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে এবং নিরাপত্তার পরিধি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
  • ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, নিরাপত্তার গাফিলতি নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *