ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হুমায়ুন কবীর

ভোটের উত্তাপের মাঝেই রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছে তৃণমূল বিধায়ক তথা AJUP-র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হুমায়ুন কবীরের একটি বিতর্কিত স্টিং ভিডিও। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নানা মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই এবং নেপথ্যের ষড়যন্ত্র উন্মোচনের দাবিতে এবার সরাসরি কলকাতা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। শুক্রবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
আদালতের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি
মামলাকারীর পক্ষের প্রধান যুক্তি হলো, রাজনৈতিকভাবে তাঁকে এবং তাঁর দলকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই পরিকল্পিতভাবে এই ভিডিওটি ভাইরাল করা হয়েছে। হুমায়ুন কবীরের দাবি, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে বা কাটছাঁট করে এই ফুটেজ তৈরি করা হতে পারে। আদালতের তত্ত্বাবধানে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং কে বা কারা এই ভিডিও প্রচারের মাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট হবে।
রাজনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ শুনানি
নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এই ধরনের ভিডিও সামনে আসা রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদি তদন্তে ভিডিওটি বিকৃত বলে প্রমাণিত হয়, তবে তা ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য আইনি জটিলতা তৈরি করবে। অন্যদিকে, এই আইনি লড়াইয়ের ফলাফল জনমানসে তাঁর ভাবমূর্তির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছে এবং আগামী ২২ এপ্রিল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই বিষয়ে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
এক ঝলকে
- স্টিং ভিডিওর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন হুমায়ুন কবীর।
- বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে।
- ভিডিওটিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দাবি করে এর নিরপেক্ষ তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছে।
- আগামী ২২ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।