পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের পালে হাওয়া দিতে এবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির বিজয় রথ থামাতে নতুন রণকৌশল সাজিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনকে প্রচারের ময়দানে নামানো হচ্ছে। শনিবার থেকেই তাঁরা সরাসরি প্রচার অভিযানে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে হেমন্ত সোরেনের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক সুসংহত করতে চাইছে রাজ্যের শাসকদল।
পশ্চিমের চার জেলায় ঝোড়ো প্রচার
তৃণমূলের বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী, হেমন্ত ও কল্পনা সোরেন রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের আদিবাসী প্রধান চারটি জেলায় নিবিড় প্রচার চালাবেন। ঝাড়খণ্ডের লাগোয়া এই জেলাগুলোতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের একটি বিশাল অংশ বসবাস করেন, যারা নির্বাচনের ফলাফলে বড় ভূমিকা পালন করে থাকেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, হেমন্ত সোরেনের ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এবং আদিবাসী নেতা হিসেবে তাঁর ভাবমূর্তি এই অঞ্চলে তৃণমূলের ভোট বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
বিজেপি বিরোধী জোটে নতুন মাত্রা
এই যৌথ প্রচার কেবল একটি রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং জাতীয় স্তরে বিজেপি বিরোধী শক্তির একজোট হওয়ার বার্তাও বহন করছে। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার (জেএমএম) শীর্ষ নেতৃত্বের এই সক্রিয়তা পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে ফাটল ধরাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে আদিবাসী ভোট বিভাজন রোখা এবং প্রান্তিক মানুষের সমর্থন আদায় করাই তৃণমূলের প্রধান লক্ষ্য।
এক ঝলকে
- তৃণমূলের হয়ে প্রচারে নামছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও কল্পনা সোরেন।
- শনিবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলে শুরু হচ্ছে তাঁদের নির্বাচনী সফর।
- আদিবাসী অধ্যুষিত চার জেলায় প্রচারের মাধ্যমে বিজেপিকে চাপে ফেলাই মূল লক্ষ্য।
- এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পশ্চিমাঞ্চলে আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক নিজেদের অনুকূলে রাখতে মরিয়া তৃণমূল।