ডিভোর্সের মামলা করতেই কোটিপতির ‘খালি পকেট’, খাবি লেমের বুদ্ধিতে কুপোকাত স্ত্রী!

ডিভোর্সের মামলা করতেই কোটিপতির ‘খালি পকেট’, খাবি লেমের বুদ্ধিতে কুপোকাত স্ত্রী!

নির্বাক অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে জটিল সব সমস্যার সমাধান দিয়ে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন টিকটক সেনসেশন খাবি লেম। তবে এবার ভার্চুয়াল দুনিয়ায় নয়, বরং নিজের বাস্তব জীবনের এক বড় সংকট মোকাবিলায় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিচ্ছেদ মামলায় স্ত্রীর বিশাল অঙ্কের সম্পত্তির দাবি নস্যাৎ করতে খাবি এমন এক কৌশল অবলম্বন করেছেন, যা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।

সম্পত্তি রক্ষায় মাস্টারপ্ল্যান

সেনেগালিজ বংশোদ্ভূত এই ইতালীয় তারকা বছরে কোটি কোটি টাকা আয় করলেও আইনি নথিতে তিনি কার্যত ‘রিক্ত’। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলাকালীন আদালতে উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গেছে, খাবি লেমের মালিকানাধীন বিলাসবহুল গাড়ি, বাংলো কিংবা স্থাবর-অস্থাবর কোনো সম্পদই তার নিজের নামে নেই। উপার্জিত অর্থের প্রতিটি অংশ দিয়ে কেনা সমস্ত সম্পদ তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে তার বাবার নামে নিবন্ধিত করেছেন।

আইনি মারপ্যাঁচে কুপোকাত প্রতিপক্ষ

সাধারণত তারকাদের বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীরা সম্পত্তির অর্ধেক বা বিশাল অংকের খোরপোশ দাবি করেন। খাবির স্ত্রীও একই পথে হেঁটেছিলেন। কিন্তু নিজের নামে কোনো সম্পদ না থাকায় আইনত খাবির থেকে বড় কোনো অংশ পাওয়ার সুযোগ হারালেন তিনি। আইন বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে ‘অ্যাসেট প্রোটেকশন’ বা সম্পদ সুরক্ষার একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। এর ফলে আইনি জটিলতা বা বিচ্ছেদের মতো পরিস্থিতিতেও নিজের কষ্টার্জিত অর্থ নিরাপদে রাখতে সক্ষম হয়েছেন এই তারকা।

টিকটক ভিডিওর মতো বাস্তবেও কোনো কথা না বলে এমন ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দেওয়ায় নেটিজেনদের প্রশংসায় ভাসছেন খাবি। অনেকে একে বাবার প্রতি অগাধ ভালোবাসা হিসেবে দেখলেও, বিশ্লেষকরা একে দেখছেন ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এক দূরদর্শী পদক্ষেপ হিসেবে। এই ঘটনার ফলে খাবি লেম আবারও প্রমাণ করলেন যে, তিনি কেবল বিনোদনেই নয়, জীবনের কঠিন হিসেব মেলাতেও সমান পারদর্শী।

এক ঝলকে

খাবির এই দূরদর্শী পদক্ষেপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

টিকটক তারকা খাবি লেম তার সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিজের বদলে বাবার নামে রেখেছেন।

বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় স্ত্রী অর্ধেক সম্পত্তির দাবি করলেও আইনিভাবে খাবির নামে কিছু না থাকায় তা ব্যর্থ হয়।

সম্পদ সুরক্ষার এই কৌশলটি ‘অ্যাসেট প্রোটেকশন’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *