ভোট ভাগাভাগি মানেই বিজেপির হাত শক্ত করা, মুর্শিদাবাদে কড়া বার্তা অভিষেকের

ভোট ভাগাভাগি মানেই বিজেপির হাত শক্ত করা, মুর্শিদাবাদে কড়া বার্তা অভিষেকের

মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ও লালবাগের জনসভা থেকে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট ভাগাভাগি রুখতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস বা বামপন্থীদের ভোট দেওয়া মানে পরোক্ষভাবে বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়া। তাঁর মতে, কংগ্রেসের প্রার্থীরা জিতলে শেষ পর্যন্ত বিজেপিতেই যোগ দেবেন, যা এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে। এনআরসি ইস্যু টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন যে, তৃণমূল সরকারই বাংলায় বিভাজনের রাজনীতি রুখে দিয়েছে।

তৃণমূল বনাম বিরোধী জোটের সমীকরণ

বহরমপুরসহ জেলার বিভিন্ন আসনে বাম-কংগ্রেসের গোপন আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন অভিষেক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অতীতে যে কংগ্রেসের হাতে সিপিএম কর্মীরা খুন হয়েছিলেন, আজ কোন যুক্তিতে বাম সমর্থকরা সেই কংগ্রেসকে ভোট দেবেন? এক দীর্ঘ তালিকা পেশ করে তিনি মনে করিয়ে দেন বাম আমলের রাজনৈতিক হিংসার ইতিহাস। তাঁর দাবি, একমাত্র তৃণমূলই পারে বিজেপিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে এবং তাদের ঘর ভাঙতে।

রাজনৈতিক প্রভাব ও সর্তকতা

অভিষেকের এই আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সংখ্যালঘু ও গ্রামীণ ভোটব্যাংককে অটুট রাখা। ভোট কাটাকাটি হলে এনআরসি বা অন্যান্য কেন্দ্রীয় নীতির প্রভাব সরাসরি মানুষের ওপর পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, অধীর চৌধুরী এই বক্তব্যকে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিলেও, নির্বাচনের মুখে অভিষেকের এই কড়া অবস্থান মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক ঝলকে

  • ভোট ভাগাভাগি রুখে শুধুমাত্র তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • কংগ্রেস প্রার্থীদের জয়ী হওয়া মানেই বিজেপিতে দলবদল এবং গেরুয়া শিবিরের শক্তিবৃদ্ধি।
  • বাম কর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে কংগ্রেসের হাতে নিহত সিপিএম নেতাদের নামের তালিকা প্রকাশ।
  • এনআরসি রুখতে তৃণমূল সরকারের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিজেপিকে কড়া আক্রমণ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *