ভাইপোর সঙ্গে ঘরে বন্দি ছিলেন স্ত্রী, হঠাৎ হাজির স্বামী! যা দেখলেন তাতে পায়ের তলার মাটি সরে গেল

গুজরাটের রাজকোটের নাগেশ্বর এলাকায় এক মর্মান্তিক পারিবারিক বিবাদের জেরে প্রাণ হারালেন এক ব্যক্তি। প্রায় ২০ বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটল রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে। পেশায় ব্যবসায়ী লালজি ভাই নিজের বাড়িতেই স্ত্রী তৃষাকে তার আপন ভাইপো বিশালের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন। এই ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব স্বামী রাগের মাথায় চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন বলে অভিযোগ।
পরকীয়া ও পারিবারিক ভাঙন
দীর্ঘদিনের বিবাহিত জীবনে লালজি ও তৃষার ১৮ বছরের একটি সন্তান রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে লালজির আপন ভাইপো বিশালের সঙ্গে তৃষার ঘনিষ্ঠতা বাড়তে শুরু করে। ঘটনার দিন লালজি কাজ থেকে আসাময়ে বাড়ি ফিরে এলে বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে। এরপরই দাম্পত্য কলহ চরমে পৌঁছায় এবং তৃষা বাড়ি ছেড়ে তার এক বান্ধবীর কাছে থাকতে শুরু করেন। এমনকি তৃষা ও বিশাল মিলে লালজির বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগও দায়ের করেছিলেন।
ক্ষোভ থেকে রক্তপাত
লালজি তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও গয়না সব লিখে দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তৃষা ফিরতে রাজি হননি। অভিযোগ উঠেছে, ভাইপো ও বান্ধবীর প্ররোচনাতেই তৃষা স্বামীর ঘরে ফিরতে অস্বীকার করেন। এই দীর্ঘদিনের অপমান ও ক্ষোভ সহ্য করতে না পেরে লালজি প্রথমে তার স্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি চালান এবং পরে নিজে আত্মহত্যা করেন। বর্তমানে স্ত্রী তৃষা আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এক ঝলকে
গুজরাটের রাজকোটে পরকীয়ার জেরে নিজের স্ত্রীকে গুলি করে আত্মঘাতী হলেন স্বামী।
২০ বছরের দাম্পত্য সম্পর্কের মাঝে আপন ভাইপোর সঙ্গে স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিবাদের সূত্রপাত।
স্থাবর সম্পত্তি দিয়ে স্ত্রীকে ফেরানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় চরম পথ বেছে নেন অভিযুক্ত লালজি।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্ত্রী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।