কড়া নির্দেশ কমিশনের: ভোটের ময়দান থেকে পাকাপাকি বিদায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের!

কড়া নির্দেশ কমিশনের: ভোটের ময়দান থেকে পাকাপাকি বিদায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের!

নির্বাচন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং বুথের নিরাপত্তায় বড়সড় রদবদল ঘটাল নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার ভোটের আগেই এক নজিরবিহীন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোনো সিভিক ভলান্টিয়ার বা গ্রিন পুলিশকে নির্বাচনের কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না। সোমবার জারি করা এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভোট প্রক্রিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই কর্মীদের নির্বাচনী ডিউটি থেকে পুরোপুরি দূরে রাখতে হবে।

কমিশনের কড়া নির্দেশিকা

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ এবং ভিলেজ পুলিশদের ভোটের সময় সাধারণ ডিউটিতে রাখা যাবে না। পরিবর্তে তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রিজার্ভ পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি বুথের ভেতরে বা বাইরে ভিড় সামলানোর কাজেও তাঁদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে নাগরিক হিসেবে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় কোনো বাধা নেই; নির্বাচনের দিন ইউনিফর্ম ছাড়া সাধারণ পোশাকে তাঁরা নিজেদের ভোট প্রদান করতে পারবেন।

প্রভাব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

ভোটের ময়দানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিপত্য বজায় রাখা এবং স্থানীয় প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ ওঠায়, নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশন এই কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। এর ফলে বুথের মূল নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব এখন সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর ন্যস্ত থাকবে।

এক ঝলকে

  • নির্বাচনের কোনো পর্যায়েই সিভিক ভলান্টিয়ার বা ভিলেজ পুলিশদের মোতায়েন করা যাবে না।
  • ভোট চলাকালীন এই কর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে রিজার্ভ পুলিশ লাইনে অবস্থান করতে হবে।
  • পোশাক পরিহিত অবস্থায় নয়, সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাঁরা কেবল ভোট দিতে পারবেন।
  • নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই কমিশনের এই বিশেষ নির্দেশিকা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *