শতরান করে হাত কেন বাঁধলেন অভিষেক? হায়দরাবাদ তারকার রহস্যময় সেলিব্রেশনের নেপথ্যে আসল কারণ ফাঁস

শতরান করে হাত কেন বাঁধলেন অভিষেক? হায়দরাবাদ তারকার রহস্যময় সেলিব্রেশনের নেপথ্যে আসল কারণ ফাঁস

আইপিএল ২০২৬-এর ৩১তম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী মেজাজে ধরা দিলেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের ওপেনার অভিষেক শর্মা। মাত্র ৬৮ বলে অপরাজিত ১৩৫ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে তিনি ক্রিকেট বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ১০টি ছক্কা ও সমসংখ্যক চারের সাহায্যে সাজানো এই ইনিংসের সৌজন্যেই হায়দ্রাবাদ ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২৪২ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করতে সক্ষম হয়। তবে শুধু ব্যাট হাতে রান তোলাই নয়, এদিন অভিষেকের বিশেষ ‘সেলিব্রেশন’ বা উদযাপনের ভঙ্গি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক চর্চা।

কোচের পরিকল্পনাই ছিল আসল লক্ষ্য

শতরান পূর্ণ করার পর অভিষেককে দেখা যায় বুকের ওপর দু’হাত ভাঁজ করে শান্ত মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে। ম্যাচ শেষে এই বিশেষ উদযাপনের রহস্য উন্মোচন করে তরুণ এই ওপেনার জানান, দলের সহকারী কোচ জেমস ফ্র্যাঙ্কলিন এবং কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরলীধরন তাকে ২০তম ওভার পর্যন্ত ক্রিজে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন। কেরিয়ারে প্রথমবারের মতো ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করার সেই পরিকল্পনা সফল হওয়াতেই কোচদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই তিনি এমন শান্তভঙ্গিতে উদযাপন করেন।

বিরাটের রেকর্ডে ভাগ বসালেন অভিষেক

এই বিস্ফোরক ইনিংসের মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজের নবম শতরান পূর্ণ করলেন অভিষেক শর্মা। এর ফলে ভারতীয় হিসেবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সর্বাধিক সেঞ্চুরির মালিক বিরাট কোহলির রেকর্ডে ভাগ বসালেন তিনি। বর্তমানে কোহলি ও অভিষেক যৌথভাবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য খুব একটা সহজ ছিল না বলে মনে করেন অভিষেক, তবে নিজের প্রতিভা ও ধৈর্যের সংমিশ্রণে দলকে তিনি এক বিশাল লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন।

এক ঝলকে

  • দিল্লির বিরুদ্ধে ৬৮ বলে ১৩৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন অভিষেক শর্মা।
  • শতরানের পর হাত ভাঁজ করার উদযাপনটি ছিল কোচ জেমস ফ্র্যাঙ্কলিনের দেওয়া পরিকল্পনা পূরণের আনন্দ।
  • কেরিয়ারের ৯ম শতরান করে বিরাট কোহলির করা সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ডে ভাগ বসালেন তিনি।
  • সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২৪২ রানের পাহাড় গড়তে সক্ষম হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *