শান্তি বৈঠকে তেহরানের টালবাহানা, হরমুজে ইরানি জাহাজ ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের!

শান্তি বৈঠকে তেহরানের টালবাহানা, হরমুজে ইরানি জাহাজ ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের!

শান্তি আলোচনার টেবিলে বসতে তেহরানের ক্রমাগত বিলম্ব ও অনীহায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথম দফার আলোচনা কার্যত ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় বসার সম্ভাবনা তৈরি হলেও ইরান এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। এই অচলাবস্থার মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ইরান বন্ধ করে দেওয়ায় পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

হরমুজে রণসজ্জা ও ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

বর্তমানে হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত অবস্থানে মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি বিশালাকার বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মার্কিন নৌবাহিনীকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, হরমুজের জলসীমায় মাইন স্থাপনকারী যেকোনো ইরানি জাহাজ দেখামাত্রই যেন ধ্বংস করা হয়। আমেরিকার মাইন সুইপারগুলো বর্তমানে সেখানে ইরানি মাইন সরানোর কাজ করছে। হোয়াইট হাউস স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ ট্রাম্প প্রশাসন বেশিদিন বরদাস্ত করবে না।

অর্থনৈতিক চাপ ও সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকা এখনই সরাসরি পরমাণু হামলার পথে না হাঁটলেও ইরানকে চাপে রাখতে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করছে। হামলার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে ট্রাম্পের মাথায়, যাতে দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া যায়। তবে আলোচনার সময়সীমা পেরিয়ে গেলে এবং তেহরান নমনীয় না হলে প্রথাগত যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানকে পরাস্ত করার পূর্ণ আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

এক ঝলকে

  • শান্তি বৈঠকে অংশ নিতে ইরানের টালবাহানায় প্রথম দফার আলোচনা ভেস্তে গেছে।
  • মার্কিন নৌবাহিনীকে হরমুজ প্রণালীতে ইরানি জাহাজ ধ্বংস করার সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
  • হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান, জবাবে সেখানে তিনটি মার্কিন রণতরী অবস্থান করছে।
  • সামরিক হামলার আগে ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথে হাঁটছে ওয়াশিংটন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *