সাবধান! সামান্য অবহেলায় হাতছাড়া হতে পারে আপনার মোবাইল নম্বর, সিম কার্ড নিয়ে কড়া নিয়ম আনল TRAI!

ডিজিটাল এই যুগে মোবাইল নম্বর কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে ডিজিটাল পরিচিতি বা [Aadhaar Redacted]-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে ব্যবহারকারীদের সামান্য অসতর্কতায় সাধের মোবাইল নম্বরটি চিরতরে অন্যের মালিকানায় চলে যেতে পারে। ট্রাই (TRAI)-এর ২০২৫-২৬ সালের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, সিম কার্ড সচল রাখতে রিচার্জ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
নিষ্ক্রিয়তার পরিণাম ও ট্রাইয়ের নতুন নিয়ম
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সিম কার্ড টানা ৯০ দিন কোনো ধরনের কার্যকলাপে যুক্ত না থাকলে টেলিকম কো ম্পা নিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি ডিঅ্যাক্টিভেট বা বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে। ৯০ দিন পার হওয়ার পর ব্যবহারকারী যদি সেটি পুনরায় সক্রিয় না করেন, তবে বৈধতা বাড়ানোর জন্য গ্রাহকের ব্যালেন্স থেকে ২০ টাকা কেটে নেওয়া হবে। কিন্তু অ্যাকাউন্টে ২০ টাকার কম ব্যালেন্স থাকলে এবং সিম বন্ধ হয়ে গেলে, রিচার্জের জন্য ব্যবহারকারীকে মাত্র ১৫ দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।
পরিষেবা বন্ধ ও নম্বর হস্তান্তরের ঝুঁকি
সিমের মেয়াদ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই প্রথমে আউটগোয়িং কল ও এসএমএস পরিষেবা বন্ধ করা হয়। এর কিছু সময় পর ইনকামিং কল এবং ওটিপি (OTP) আসাও বন্ধ হয়ে যায়, যা ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করে। দীর্ঘ সময় রিচার্জহীন অবস্থায় থাকলে কো ম্পা নি নম্বরটিকে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং সেটি ‘উপলব্ধ নম্বর’-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট সময় পর ওই একই নম্বর অন্য কোনো নতুন গ্রাহককে বরাদ্দ করা হতে পারে।
এক ঝলকে
- সিম টানা ৯০ দিন নিষ্ক্রিয় থাকলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
- অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলে সিম বন্ধের পর রিচার্জের জন্য মাত্র ১৫ দিন সময় পাওয়া যাবে।
- দীর্ঘ সময় রিচার্জ না করলে আপনার ব্যবহৃত নম্বরটি অন্য কোনো নতুন গ্রাহককে দিয়ে দেওয়া হতে পারে।
- ইনকামিং ও ওটিপি বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাংক সংক্রান্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।