শুধু ভোটার স্লিপ থাকলেই কি দেওয়া যাবে ভোট? বুথে যাওয়ার আগে কমিশনের আসল নিয়মটি জেনে নিন!

বাংলার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ ঘিরে প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। এই আবহে ভোটারদের মধ্যে একটি বড় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে যে, শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া ভোটার স্লিপ থাকলেই ভোট দেওয়া সম্ভব। তবে কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা বলছে, ভোটার স্লিপ কোনো সচিত্র পরিচয়পত্র নয়। ফলে শুধুমাত্র এটি নিয়ে বুথে গেলে ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না।
সচিত্র পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক
ভোটার স্লিপ মূলত ভোটারদের সহায়তার জন্য দেওয়া হয়। এতে ভোটারের নাম, ভোটার কার্ডের নম্বর, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর উল্লেখ থাকে, যা ভোটকেন্দ্রে কর্তব্যরত আধিকারিকদের দ্রুত নাম খুঁজে পেতে সাহায্য করে। কিন্তু আইনত এটি নাগরিকের পরিচয়ের একক প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না। তাই বুথে যাওয়ার সময় ভোটার কার্ড বা এপিক (EPIC) সঙ্গে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
বিকল্প নথির সুযোগ
যাঁদের কাছে এই মুহূর্তে ভোটার কার্ড নেই, তাঁদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। ভোটার কার্ডের বিকল্প হিসেবে পাসপোর্ট, প্যান কার্ড, আধার কার্ড কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো সরকারি সচিত্র পরিচয়পত্র দেখিয়েও ভোট দেওয়া যাবে। মূলত ভোটার তালিকায় নাম থাকা এবং নিজের সঠিক পরিচয় প্রমাণ করাই ভোটদানের প্রধান শর্ত। সঠিক নথির অভাবে যাতে কোনো ভোটারকে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়েই বারবার সচেতন করছে কমিশন।
এক ঝলকে
- ভোটার স্লিপ পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য হবে না, তাই শুধু এটি নিয়ে ভোট দেওয়া আসাম্ভব।
- ভোটার কার্ড না থাকলে আধার, প্যান বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো বিকল্প নথি ব্যবহার করা যাবে।
- স্লিপে সিরিয়াল ও পার্ট নম্বর থাকায় এটি কেবল বুথে নাম খুঁজে পেতে সাহায্য করে।
- দ্বিতীয় দফায় কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রসহ ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।