সাবধান! আর জন্মতারিখের প্রমাণ নয় আধার কার্ড, UIDAI-এর নতুন নির্দেশে বড় বদল

আধার কার্ড এখন আর জন্মতারিখের বৈধ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে না। সম্প্রতি আধার প্রদানকারী সংস্থা ইউআইডিএআই (UIDAI) একটি বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আধার কার্ড পরিচয়পত্র এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে অত্যন্ত কার্যকরী হলেও, জন্মতারিখ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এটি কোনোভাবেই বার্থ সার্টিফিকেটের বিকল্প হতে পারে না। এই মর্মে আধার ইউজার এজেন্সি এবং ই-কেওয়াইসি ইউজার এজেন্সিগুলোকে একটি চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
কেন এই পরিবর্তন?
ইউআইডিএআই-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আধারের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা, তাঁর বয়স নির্ধারণ করা নয়। অনেক ক্ষেত্রে আধার কার্ড তৈরির সময় সঠিক নথির অভাবে ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বা আনুমানিক বয়সের ওপর ভিত্তি করে জন্মতারিখ নথিবদ্ধ করা হয়। সিস্টেম অনেক সময় ডিফল্ট তারিখ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বছরের ১ জানুয়ারিকে ধরে নেয়। ফলে এই তথ্যের নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়, যা পাসপোর্ট বা স্কুল সার্টিফিকেটের মতো নথির ক্ষেত্রে হয় না।
পরিচয়পত্র হিসেবে গুরুত্ব অপরিবর্তিত
তবে জন্মতারিখের প্রমাণ হিসেবে বাতিল হলেও, পরিচয় এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধারের গুরুত্ব কমছে না। ফিজিক্যাল কার্ড, ই-আধার কিংবা কিউআর কোড যুক্ত আধার কার্ড আগের মতোই সব ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র হিসেবে বৈধ থাকবে। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে যে, আধার শুধু এটাই নিশ্চিত করে যে বায়োমেট্রিক্স প্রদানকারী ব্যক্তিই প্রকৃত কার্ডধারী। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বা ভর্তুকি পাওয়ার ক্ষেত্রে আধারের ব্যবহার আগের নিয়মেই চলবে।
এক ঝলকে
- আধার কার্ডকে জন্মতারিখের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে ইউআইডিএআই।
- জন্মতারিখ যাচাইয়ের জন্য বার্থ সার্টিফিকেট, স্কুল সার্টিফিকেট বা পাসপোর্টকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- আধার কার্ডে জন্মতারিখ অনেক ক্ষেত্রে আনুমানিক বা ঘোষণা ভিত্তিক হওয়ায় এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।
- পরিচয়পত্র এবং ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধার কার্ডের ব্যবহারিক বৈধতা আগের মতোই বজায় থাকছে।