‘১০ কেন, ২১০ নয় কেন?’ অশোকের ভবিষ্যদ্বাণীকে পাল্টা খোঁচা বিজেপির! ভোটের ফল আসার আগেই তুঙ্গে তরজা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত ধুয়েমুছে যাওয়ার পর এবার ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে আলিমুদ্দিন। সোমবারের মহাগণনার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে বর্ষীয়ান বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, এবার শূন্য থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ১০-টির বেশি আসন পাবে সিপিএম। একইসঙ্গে রাজ্যে ‘তৃতীয় শক্তি’ হিসেবে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোটের নির্ণায়ক ভূমিকা পালনের বিষয়েও তিনি বিশেষ আশাবাদী।
বামেদের পুনরুত্থান ও তৃতীয় শক্তির উত্থান
শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বর্ষীয়ান এই নেতার মতে, রাজ্যে বামপন্থার পুনর্জাগরণ এখন সময়ের দাবি। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার নিরিখে তিনি মনে করছেন, মানুষের মধ্যে গণতান্ত্রিক শক্তির প্রয়োজনীয়তা নতুন করে অনুভূত হচ্ছে। তিনি বলেন, “১০-এর ওপর আসন পাবে সিপিএম, এমনটাই শুনছি। এর পাশাপাশি জোটসঙ্গী আইএসএফ এবং কংগ্রেসও কিছু আসন পাবে। ফলে বিধানসভায় একটি শক্তিশালী তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটবে, যা অত্যন্ত প্রয়োজন।” তাঁর স্পষ্ট লক্ষ্য— বিজেপিকে ঠেকানো এবং বিধানসভায় বামপন্থীদের উপস্থিতিকে সুনিশ্চিত করা।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় বিদ্ধ বাম শিবির
অশোক ভট্টাচার্যের এই ভবিষ্যদ্বাণীকে কেন্দ্র করে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল ও বিজেপি। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার প্রশ্ন তুলেছেন, মাত্র ১০টি আসনের লক্ষ্য কেন? বামেদের এই করুণ অবস্থার জন্য তিনি তৃণমূলকে জেতানোর চেষ্টাকেই দায়ী করেছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল মুখপাত্র শান্তনু সেন পালটা দাবি করেছেন যে, বামেরা আসলে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে চেয়েছিল। তবে সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সোমবারের ইভিএম গণনা স্পষ্ট করে দেবে যে, অশোক ভট্টাচার্যের এই ১০ আসনের ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবের মুখ দেখে কি না।