একবার বিনিয়োগেই লক্ষ লক্ষ টাকার মুনাফা, দম্পতিদের জন্য এল আই সি-র দুই বাম্পার প্ল্যান

ভারতীয় জীবন বিমা নিগম (এল আই সি) দেশের মধ্যবিত্ত ও সঞ্চয়কারীদের সুরক্ষায় সবসময়ই নিত্যনতুন স্কিম নিয়ে আসে। এবার স্বামী-স্ত্রী উভয়ের যৌথ ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে এবং নিশ্চিত মুনাফার হাতছানি নিয়ে বাজারে এল এল আই সি-র নতুন দুটি আকর্ষণীয় পলিসি। ‘এল আই সি নিউ জীবন সাথী সিঙ্গল প্রিমিয়াম’ এবং ‘এল আই সি নিউ জীবন সাথী লিমিটেড প্রিমিয়াম’ নামের এই স্কিম দুটি জুনের শুরু থেকেই দেশজুড়ে চালু হতে চলেছে। একটি মাত্র পলিসিতেই স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই বিমা কভারের পাশাপাশি সঞ্চয়ের দারুণ সুযোগ পাবেন।
বাজারের ওঠানামার ঝুঁকি এড়িয়ে এই স্কিমে মিলবে সম্পূর্ণ ফিক্সড এবং গ্যারান্টেড রিটার্ন। এজেন্ট, ব্রোকার বা সরাসরি অনলাইনের মাধ্যমেও গ্রাহকেরা এই পলিসি দুটির সুবিধা নিতে পারবেন।
পলিসি দুটির বৈশিষ্ট্য ও বিশেষ সুবিধা
‘নিউ জীবন সাথী সিঙ্গল প্রিমিয়াম’ প্ল্যানটিতে গ্রাহকদের বারবার প্রিমিয়াম দেওয়ার ঝামেলা পোহাতে হবে না। মাত্র একবার টাকা জমা দিলেই মেয়াদজুড়ে মিলবে নিশ্চিন্ত কভার। এই প্ল্যানে প্রতি ১,০০০ টাকার বেসিক সাম অ্যাসিয়োর্ডে ৭০ টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টেড রিটার্ন পাওয়া যাবে। ১০ থেকে ২৫ বছর মেয়াদের এই পলিসিটি নেওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮ বছর এবং ন্যূনতম ৩ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।
অন্যদিকে, যারা এককালীন টাকা দিতে চান না, তাদের জন্য রয়েছে ‘নিউ জীবন সাথী লিমিটেড প্ল্যান’। এখানে ৫, ১০ বা ১৫ বছরের কিস্তিতে প্রিমিয়াম পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। বার্ষিক প্রিমিয়ামের ওপর মিলবে ৭ শতাংশ রিটার্ন। এই প্ল্যানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, পলিসি চলাকালীন কোনো কারণে পলিসিগ্রহীতার মৃত্যু হলে পরবর্তী সমস্ত প্রিমিয়াম মকুব করে দেওয়া হবে এবং ম্যাচুরিটির পূর্ণ সুবিধা বজায় থাকবে।
অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ভূমিকা
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানের অস্থির বাজার পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ এমন বিনিয়োগের সন্ধান করেন যেখানে ঝুঁকি নেই এবং রিটার্ন নিশ্চিত। এল আই সি-র এই নতুন উদ্যোগ যৌথ পারিবারিক সুরক্ষাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে। বিশেষ করে একক উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোতে স্বামী বা স্ত্রীর যেকোনো একজনের অনুপস্থিতিতেও আর্থিক স্থায়িত্ব বজায় রাখতে এই দুটি প্ল্যান অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। একই সাথে ম্যাচুরিটির পর বড় অঙ্কের তহবিল নিশ্চিত হওয়ায় এটি অবসরকালীন সঞ্চয়ের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।