দু’মাসেই ডিভোর্স হয়ে যাবে, ভাগ্যশ্রীর বিয়ের ৩৭ বছর পর সমালোচকদের মুখে ছাই দিয়ে মুখ খুললেন শাশুড়ি

বলিউডের গ্ল্যামার দুনিয়ায় পা রাখার পর সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে জনপ্রিয় কোনো তারকা যদি ঘরোয়া সংসারে প্রবেশ করেন, তখন সমাজ ও প্রতিবেশীদের একাংশ কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেন। ১৯৮৯ সালে ঠিক এমনই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’ খ্যাত অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীর পরিবারকে। সম্প্রতি একটি রিয়্যালিটি শো-তে এসে দীর্ঘ ৩৭ বছর আগের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা ও কটূক্তির কথা জনসমক্ষে এনেছেন অভিনেত্রীর শাশুড়ি।
স্টার বউমা ও সমাজের কটূক্তি
‘তু হো না’ নামক একটি নারী-কেন্দ্রিক রিয়্যালিটি শো-তে এসে ভাগ্যশ্রীর শাশুড়ি জানান, হিমালয় দাসানির সঙ্গে অভিনেত্রীর বিয়ের সময় চারপাশের মানুষ নানারকম নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। প্রতিবেশীদের অনেকেই দাবি করেছিলেন, সালমান খানের নায়িকা হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা ভাগ্যশ্রী কখনই সাধারণ গৃহবধূর মতো সংসার করতে পারবেন না। এমনকি বিয়ের বড়জোর দুই মাসের মধ্যেই তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যাবে বলেও অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। এই সমস্ত মন্তব্য সে সময় পরিবারটিকে বেশ উদ্বেগে ফেলেছিল।
সংসার ও কেরিয়ারের মেলবন্ধন
সমালোচকদের সমস্ত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে ভাগ্যশ্রী তাঁর দাম্পত্য জীবনের ৩৭ বছর পার করে ফেলেছেন। শো-এর সঞ্চালক রাজীব খাণ্ডেলওয়ালের প্রশ্নের জবাবে শাশুড়ি স্পষ্ট জানান, তারকা পুত্রবধূর সঙ্গে মানিয়ে নিতে তাঁর বিন্দুমাত্র সমস্যা হয়নি। বরং ভাগ্যশ্রী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পেশাগত জীবন ও ঘরোয়া সংসার একসঙ্গে সামলে চলেছেন। উল্লেখ্য, প্রথম ছবি সুপারহিট হওয়ার পর যখন বলিউডে তাঁর ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল ছিল, তখন শুধুমাত্র ভালোবাসার টানে এবং সংসার গড়ার লক্ষ্যে কোটি টাকার কেরিয়ারকে হেলায় ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। তৎকালীন সময়ে এই সিদ্ধান্তের কারণে তাঁকে অনেক সমালোচনার মুখোমুখি হতে হলেও, দীর্ঘস্থায়ী ও সফল দাম্পত্যের মাধ্যমে আজ তিনি সমস্ত নেতিবাচকতার যোগ্য জবাব দিয়েছেন।