গ্যাসের খরচ কমাতে চান? আজই বদলান রান্নার এই ৫টি অভ্যাস!

মাসের শেষে গ্যাসের খরচ কমাবে সামান্য কিছু অভ্যাস!
গৃহস্থালির মাসিক বাজেটে এলপিজি গ্যাসের খরচ এখন বড় একটি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানির দাম ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম। তবে দৈনন্দিন অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেই গ্যাসের ব্যবহার প্রায় অর্ধেক কমিয়ে আনা সম্ভব, যা মাসের শেষে আপনার সাশ্রয় বাড়াতে সাহায্য করবে।
স্মার্ট রান্নায় সাশ্রয়
রান্নার সময় কিছু কৌশল অবলম্বন করলে গ্যাস খরচ অনেকাংশে কমানো যায়। ডাল, মাংস বা সবজির মতো খাবার রান্নার ক্ষেত্রে প্রেসার কুকারের ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকর। সাধারণ কড়াইয়ের তুলনায় প্রেসার কুকারে খুব কম সময়ে খাবার সেদ্ধ হয়, ফলে গ্যাস সাশ্রয় হয়। এছাড়া রান্না করার সময় সবসময় পাত্র ঢেকে রাখার অভ্যাস করুন। ঢাকনা ব্যবহার করলে তাপ ভেতরে আটকে থাকে, এতে খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয় এবং জ্বালানি কম খরচ হয়। অপ্রয়োজনে উচ্চ তাপ ব্যবহার না করে মাঝারি আঁচে রান্না করা সাশ্রয়ী।
সতর্কতায় বাড়বে আয়ু
অনেকেই গ্যাস জ্বালিয়ে রেখে সবজি কাটা বা মসলা খোঁজার মতো কাজ করেন, এতে প্রচুর গ্যাস অপচয় হয়। তাই রান্না শুরু করার আগে প্রয়োজনীয় সব উপকরণ হাতের কাছে গুছিয়ে রাখা জরুরি। এছাড়া গ্যাসের বার্নার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। শিখার রঙ যদি নীল না হয়ে হলুদ বা কমলা হয়, তবে বুঝতে হবে বার্নারে ময়লা জমেছে, যা গ্যাস অপচয়ের অন্যতম কারণ। এছাড়া ভেজা পাত্র সরাসরি চুলায় না বসিয়ে মুছে ব্যবহার করলে পাত্র দ্রুত গরম হয়।
অতিরিক্ত সাশ্রয়ের উপায়
চাল বা ডাল রান্নার আগে কিছুটা সময় ভিজিয়ে রাখলে তা দ্রুত সেদ্ধ হয়, যা গ্যাসের খরচ কমায়। ফ্রিজ থেকে বের করা খাবার সরাসরি গরম না করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসার পর রান্না করুন। এছাড়া রান্নার একদম শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গ্যাস বন্ধ করে দিলে পাত্রের অবশিষ্ট তাপে বাকি রান্নাটুকু অনায়াসেই সম্পন্ন হয়। এই ছোট ছোট পদক্ষেপগুলো মেনে চললে গ্যাসের আয়ু প্রায় দ্বিগুণ করা সম্ভব।