স্নাতক পাস করলেই মিলবে রাজ্য সরকারি চাকরি! বিজ্ঞপ্তি জারি করল পিএসসি

স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই মিলবে রাজ্য সরকারি চাকরি! বড় সুযোগ নিয়ে এল পাবলিক সার্ভিস কমিশন
রাজ্যজুড়ে সরকারি চাকরির প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (ডব্লিউবিপিএসসি)। কমিশন সম্প্রতি ‘মিসেলেনিয়াস সার্ভিসেস রিক্রুটমেন্ট এগজ়ামিনেশন’-এর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। স্নাতক ডিগ্রিধারী যে কোনো যোগ্য প্রার্থী এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবেদন করতে পারবেন।
পরীক্ষা পদ্ধতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়া
পাবলিক সার্ভিস কমিশনের এই নিয়োগ পরীক্ষা মূলত তিনটি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে নেওয়া হবে অবজেক্টিভ বা মাল্টিপল চয়েস ভিত্তিক প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। এতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন সম্বলিত চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন। চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা বাংলা বা ইংরেজি ভাষায় দেওয়া যাবে। সবশেষে সফল প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। পরীক্ষার সুবিধার্থে রাজ্যের ৩৬টি কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তবে চূড়ান্ত পরীক্ষা শুধুমাত্র কলকাতাতেই নেওয়া হবে।
যোগ্যতা ও আবেদনের বিস্তারিত
এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক। পাশাপাশি প্রার্থীর বয়স ২০ থেকে ৩৯ বছরের মধ্যে হতে হবে, যেখানে সংরক্ষিত শ্রেণির জন্য সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ছাড় থাকবে। আবেদনকারীর বাংলা ভাষায় সাবলীল হওয়া আবশ্যক, তবে উত্তরের জেলাগুলোর বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে নেপালি ভাষা জানা বাধ্যতামূলক।
প্রার্থীরা সরকারি বেতন কাঠামো অনুযায়ী ৩২,১০০ থেকে ৮২,৯০০ টাকা অথবা ২৮,৯০০ থেকে ৭৪,৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের সুযোগ পাবেন, সঙ্গে থাকবে বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য সরকারি ভাতা। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৯ জুন পর্যন্ত কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অসংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীদের ১৬০ টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হলেও সংরক্ষিত শ্রেণির জন্য এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অবৈতনিক রাখা হয়েছে।
নিয়োগের এই উদ্যোগ কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে। স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে মেধাবী তরুণ-তরুণীদের সরকারি দপ্তরে কাজের সুযোগ করে দেওয়া এবং রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও গতিশীল করাই এই নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য। শূন্যপদের সংখ্যা পরবর্তীতে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।