তৃণমূল ভাঙলেও দরজা খুলবে না বিজেপি, সাফ জানালেন শমীক ভট্টাচার্য
তৃণমূল ভাঙলেও দরজা খুলবে না বিজেপি! সাফ কথা শমীকের
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙনের গুঞ্জন যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়েই রাজ্য রাজনীতির সমীকরণে বড় বার্তা দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকটে বিজেপি কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করতে আগ্রহী নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের ভাঙনের দায়ভার সম্পূর্ণ শাসকদলের ওপর চাপিয়ে দিয়ে শমীক বুঝিয়ে দিয়েছেন, অন্য দল থেকে নেতাদের দলে টেনে বিজেপির তৃণমূলীকরণ করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।
তৃণমূল ভাঙলে দায় কাদের
গত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই জোড়াফুল শিবিরের অন্দরে অস্বস্তি বাড়ছে। বিধায়ক-সাংসদদের প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ এবং সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফার মতো ঘটনা তৃণমূলের ভিতকে আরও নড়বড়ে করে তুলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় এই ভাঙনের গতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপিকে দায়ী করার অবকাশ নেই বলে দাবি করেছেন শমীক। তাঁর কথায়, তৃণমূল আড়াআড়ি ভাঙলেও বা দল টিকে থাকলেও, এর দায়ভার সম্পূর্ণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলেরই।
দলে ফেরার পথ আপাতত বন্ধ
বিজেপির দরজা তৃণমূলীদের জন্য খোলা কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিনের জল্পনা। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শমীক ভট্টাচার্য ফের একবার বুঝিয়ে দিয়েছেন, দলবদলু নেতাদের জন্য বিজেপির অন্দরে জায়গা নেই। তিনি সাফ জানিয়েছেন, যারা অপশাসন ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের দলে নিয়ে বিজেপির আদর্শ ক্ষুণ্ণ করা হবে না। ২০৭টি আসনে জয়লাভের পর বিজেপির লক্ষ্য এখন স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ধরে রাখা। ফলে তৃণমূল থেকে নেতাদের দলে ‘ইমপোর্ট’ করার যে কোনো সম্ভাবনা নেই, তা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন তিনি। মূলত, দলের তৃণমূলীকরণ রোধ করতেই এই কড়া অবস্থান নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।