বিয়ের পর ক্রমাগত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকার করা মানসিক নির্যাতন, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

বিয়ের পর ক্রমাগত শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকার করা মানসিক নির্যাতন, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

বিবাহবিচ্ছেদের একটি মামলার শুনানির সময় দেশের সর্বোচ্চ আদালত এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিল। সুপ্রিম কোর্টের মতে, বিয়ের পর কোনো যথাযথ বা যুক্তিযুক্ত কারণ ছাড়াই নিয়মিত যৌন সম্পর্কে অস্বীকার করা সরাসরি মানসিক নির্যাতনের শামিল। এই ধরনের আচরণ বিবাহিত জীবনের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্পর্কের ভিতকে দুর্বল করে দেয়।

শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

বিচারপতিদের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারতীয় আদালতগুলি আগেও বারংবার এই বিষয়টি উত্থাপন করেছে যে, শারীরিক সম্পর্কে অনীহা বা সঙ্গীর ইচ্ছাকে বারবার উপেক্ষা করা অন্য সঙ্গীর মনে প্রবল মানসিক কষ্টের সৃষ্টি করে। দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা যে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, সেই কথাটিই ফের স্মরণ করিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে এই ‘মানসিক নিষ্ঠুরতা’-কে আদালত যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

বিবাহের ভিত্তিতে আঘাত

আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করেছে যে, কোনো সঙ্গীর যৌন চাহিদাকে সম্পূর্ণ অবজ্ঞা করা সম্পর্কের মূল ভিত্তি নষ্ট করে দেয়। বিয়েতে শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি কেবলমাত্র পারস্পরিক ইচ্ছা নয়, বরং সম্পর্কের স্থিতিশীলতার প্রতীক হিসেবেও দেখা হয়। কোনো সংগত কারণ ছাড়া নিয়মিত এই অস্বীকারকে বিচ্ছেদের অন্যতম ভিত্তি বা নিষ্ঠুরতা হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে বলে আদালত ইঙ্গিত দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *