পাখিদের তৃষ্ণা মেটাতে গাছে জলের পাত্র, পটাশপুরের পড়ুয়াদের মানবিক উদ্যোগ

পটাশপুরের ইটাচনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়াদের এই মানবিক উদ্যোগটি বর্তমান ভ্যাপসা গরমের নিরিখে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাদের এই সচেতনতামূলক কাজের একটি প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো:
তীব্র গরমে পশুপাখিদের ত্রাতা পটাশপুরের খুদে পড়ুয়ারা
প্রচণ্ড দাবদাহে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত, তখন প্রকৃতির অসহায় প্রাণীদের জলকষ্ট মেটাতে এগিয়ে এল পটাশপুরের ইটাচনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে শিক্ষার্থীরা। স্কুল শুরুর পর থেকেই শিশু-সংসদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে পশুপাখিদের তৃষ্ণা মেটানোর এক অনন্য অভিযান।
প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা
বিদ্যালয়ের শিশু-সংসদের প্রধানমন্ত্রী সুকমল দাসের কথায় উঠে এসেছে এক গভীর উপলব্ধির কথা। সে জানায়, পশুপাখিরাও আমাদের বন্ধু এবং পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই তীব্র গরমে জল না পেয়ে যাতে কোনো প্রাণীর মৃত্যু না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই তারা গাছগাছালিতে জলের পাত্র ঝুলিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। শুধু গাছেই নয়, রাস্তার পাশে এবং নিজেদের বাড়ির সামনেও জলের পাত্র রেখে পথচলতি কুকুর বা অন্যান্য প্রাণীদের তৃষ্ণা মেটানোর ব্যবস্থা করছে তারা।
শিক্ষকদের ভূমিকা ও পরিবেশ সচেতনতা
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমনকল্যাণ প্রধান জানান, শিশুদের ছোট থেকেই পরিবেশ সচেতন এবং সহানুভূতিশীল করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। খুদে পড়ুয়াদের এই কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশকর্মীরাও। বর্তমান সময়ে যখন জলবায়ুর পরিবর্তনে গরমের তীব্রতা বাড়ছে, তখন এই ধরনের সংবেদনশীল কর্মসূচি নতুন প্রজন্মকে প্রকৃতির প্রতি আরও দায়িত্ববান করে তুলছে।