যন্তরমন্তরে ‘আরশোলা’দের হুঙ্কার, নিট কেলেঙ্কারিতে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম
June 6, 20268:52 pm

দিল্লির যন্তরমন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বা ‘আরশোলা পার্টি’-র সাম্প্রতিক প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক বিতর্কটি বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। ঘটনাটির মূল অংশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
প্রতিবাদ কর্মসূচির মূল দিক:
- দাবি: নিট (NEET) কেলেঙ্কারির দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।
- হুঁশিয়ারি: যদি আগামী সাত দিনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করেন বা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া না হয়, তবে এই প্রতিবাদ আরও বৃহত্তর রূপ নেবে।
- শান্তিপূর্ণ অবস্থান: সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে এই কর্মসূচিটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কর্মীরা হাতে সংবিধান প্রণেতা বিআর আম্বেদকরের আত্মজীবনী এবং জাতীয় পতাকা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
- সমর্থন: এই আন্দোলনে সোনম ওয়াংচুক, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং উদ্ধব ঠাকরের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা সমর্থন জানিয়েছেন।
বিজেপির প্রতিক্রিয়া:
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এই আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বলেছেন, দিল্লির মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের ইন্ধনে ভারতের যুবসমাজকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ভারতের যুবসমাজ দিল্লির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, তারা গ্রাম ও ছোট শহরের বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত এবং কারো হাতের পুতুল নয়।
সিজেপি-র প্রেক্ষাপট:
- নামের উৎপত্তি: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের রেশ ধরেই ১৬ মে থেকে এই ‘অনলাইন স্যাটায়ার মুভমেন্ট’-এর সূচনা হয়। বিচারপতি পরবর্তীকালে তাঁর মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেও, এই ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলনটি এখন বাস্তব রাজনৈতিক কর্মসূচির রূপ নিয়েছে।
- জনপ্রিয়তা: সিজেপি-র মতে, তারা সিস্টেমের ‘আরশোলা’ বা ‘পরজীবী’ নয়, বরং নিজেদের অধিকার সচেতন নাগরিক। মাত্র কয়েক দিনেই এই সংগঠনটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।