বিষ খাওয়ার টাকা ছিল না তবু পাশে ছিলেন সুস্মিতা, প্রাক্তনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিক্রম ভাট!

বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই চর্চা তুঙ্গে। তবে সাধারণ তারকাদের সম্পর্ক ভাঙার পর কাদা ছোঁড়াছুড়ির যে ছবি দেখা যায়, সুস্মিতার ক্ষেত্রে তা একেবারেই ভিন্ন। সম্প্রতি প্রাক্তন আইপিএল কর্তা ললিত মোদীর পর এবার সুস্মিতার প্রশংসায় সরব হলেন তাঁর আরেক প্রাক্তন প্রেমিক তথা পরিচালক বিক্রম ভাট। চরম অর্থকষ্টের দিনগুলোতে এই বলিউড সুন্দরীর নিঃস্বার্থ সমর্থনের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
আর্থিক দুর্দশায় সুস্মিতার নিঃস্বার্থ সমর্থন
নয়ের দশকে ‘দস্তক’ ছবির সেটে বিক্রম ভাট ও সুস্মিতা সেনের প্রেমের সূত্রপাত। সেই সময়কার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিক্রম জানান, বলিউডের বড় তারকাদের সঙ্গে কাজ করা সত্ত্বেও তিনি তখন ছিলেন সম্পূর্ণ কপর্দকশূন্য। ফকিরের মতো জীবনযাপন করা বিক্রমের সেই সময় একটি মিউজিক সিডি বা বিষ খাওয়ার মতো টাকাও ছিল না। কিন্তু তাঁর এই রিক্ত পকেট দেখে সুস্মিতা কখনও মুখ ফিরিয়ে নেননি। বরং নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি বিক্রমকে আর্থিকভাবে সাহায্য করেছিলেন এবং মানসিকভাবে পাশে থেকেছিলেন।
ললিত মোদীর সুর ও নেতিবাচক তকমার অবসান
বিক্রম ভাটের এই মন্তব্য মূলত ললিত মোদীর সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি। এর আগে সুস্মিতার বিরুদ্ধে ওঠা ‘গোল্ড ডিগার’ বা ‘ডায়মন্ড ডিগার’ তকমা নস্যাৎ করে ললিত মোদী জানিয়েছিলেন, সুস্মিতা তাঁর জন্য কখনও এক টাকাও খরচ করাননি, বরং উলটোটাই ঘটেছে। নিজেকে সুস্মিতার ‘ভাড়া করা প্রেমিক’ হিসেবে উল্লেখ করে মোদী তাঁর স্বাবলম্বী মানসিকতার প্রশংসা করেছিলেন।
প্রাক্তন প্রেমিকদের এই ধারাবাহিক স্বীকারোক্তি সুস্মিতা সেনের ব্যক্তিচরিত্রের একটি ইতিবাচক ও স্বাধীন দিক উন্মোচন করেছে। এর ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে তৈরি হওয়া ‘গোল্ড ডিগার’-এর মতো নেতিবাচক ধারণার অবসান ঘটছে এবং প্রমাণ হচ্ছে যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি অর্থের চেয়ে মানুষ ও ভালোবাসাকেই সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়েছেন।