তৃণমূলে ‘ভাঙন’ আতঙ্ক! সিআইডি তলব এড়িয়ে দিল্লিতে রাহুল-অভিষেক বৈঠক, কীসের বার্তা?

তৃণমূলে ‘ভাঙন’ আতঙ্ক! সিআইডি তলব এড়িয়ে দিল্লিতে রাহুল-অভিষেক বৈঠক, কীসের বার্তা?

ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে দলের অন্দরে ভাঙনের সুর, একের পর এক সাংসদের ইস্তফা আর সিআইডি-র তলবের আবহে দিল্লিতে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ রণকৌশল নিয়ে এই বৈঠক হলেও, রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

দিল্লির বৈঠকে কী বার্তা?

সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক হয়েছে। ইন্ডিয়া জোটের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় এবং আগামী দিনে লোকসভার বিরোধী দলনেতার সঙ্গে তৃণমূলের রসায়ন কেমন হবে, তা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে খবর। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠকের আসল লক্ষ্য হলো রাজ্যের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের হাত ধরে নিজেদের অবস্থান মজবুত করা।

তৃণমূলের অন্দরে কি ঝড়?

সূত্রের দাবি, চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে দিল্লিতে এই মেগা বৈঠক যখন চলছে, তখন রাজ্যে তৃণমূলের অন্দরে সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশের দলীয় কার্যালয়ে সিআইডি-র নজিরবিহীন তল্লাশি, অন্যদিকে দলের সাংসদদের প্রকাশ্য বিদ্রোহ—সব মিলিয়ে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছে ঘাসফুল শিবির।

সিআইডি-র সমন ও অভিষেকের অবস্থান:

এই বৈঠকের পাশাপাশি কলকাতায় তৃণমূলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সিআইডি। পরপর তিনবার তলব করা সত্ত্বেও সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দেননি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, হাজিরার ডেডলাইন শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই তিনি চিঠি দিয়ে নিজের অনুপস্থিতির কারণ দর্শান এবং পরবর্তী সময়ের জন্য আবেদন করেন।

তৃণমূলের অন্দরের এই ফাটল এবং সিআইডি-র সাঁড়াশি চাপের মুখে দাঁড়িয়ে দিল্লিতে রাহুল-অভিষেকের এই বৈঠক কি তবে কোনো বড় রাজনৈতিক ‘সুইচ’ চাপার ইঙ্গিত? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *