নীতি আয়োগের বৈঠকে শুভেন্দু, বাংলার উন্নয়নে নয়া মোড়!

নীতি আয়োগের বৈঠকে শুভেন্দু, বাংলার উন্নয়নে নয়া মোড়!

২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার রূপরেখা তৈরিতে আজ দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নীতি আয়োগের ১১তম গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আয়োজিত এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকে দেশের সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। তবে এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর অংশগ্রহণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অতীতে পূর্ববর্তী রাজ্য সরকারের নীতি আয়োগের বৈঠক বর্জন বা অনিয়মিত যোগদানের যে ধারা ছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে বর্তমান সরকারের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বৈঠকের মূল এজেন্ডা ও লক্ষ্য

এদিনের বৈঠকের মূল ফোকাস রয়েছে মানব উন্নয়ন এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের ওপর। ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে একাধিক বিষয়ে যৌথ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণ, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এছাড়া, আগামী দিনে দক্ষ কর্মীবাহিনী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা চলছে এই উচ্চপর্যায়ের মঞ্চে।

বাংলার উন্নয়ন ও উত্তরবঙ্গের ভবিষ্যৎ

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজ্যের নতুন নেতৃত্বের এই সভায় অংশগ্রহণ বাংলার সার্বিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অতীতে উত্তরবঙ্গ বঞ্চনার যে অভিযোগ ছিল, তা দূর করার বিষয়টি এবার বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সুসম্পর্কের জেরে উত্তরবঙ্গসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, নতুন বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ রূপরেখা তৈরি হতে পারে। প্রশাসনিক সমন্বয়ের এই নতুন ধারা রাজ্যের শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *