বায়ুসেনা আধিকারিকের স্ত্রীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য

মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ভারতীয় বায়ুসেনার এক পদস্থ আধিকারিকের স্ত্রীকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার মারাত্মক অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, তবে জড়িত এক মৌলবী এখনও পলাতক। সোশাল মিডিয়ায় জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মাদক খাইয়ে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেল
নির্যাতিতা ওই ২৪ বছর বয়সি যুবতীর স্বামী কর্মসূত্রে ভিন শহরে থাকার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত আজ্জাজ তাজ মাদরে তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে। অভিযোগ, সম্প্রতি বান্দ্রার একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে যুবতীকে মাদক মেশানো শরবত খাইয়ে অর্ধচেতন অবস্থায় ধর্ষণ করা হয় এবং সেই মুহূর্তের ভিডিও ক্যামেরাবন্দি করে অভিযুক্ত। এরপরই শুরু হয় ধারাবাহিক ব্ল্যাকমেল। আপত্তিকর সেই ভিডিওর ভয় দেখিয়ে যুবতীর কাছ থেকে প্রায় তিন লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশি অভিযোগে জানানো হয়েছে।
জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও সম্ভাব্য প্রভাব
ধর্ষণের পাশাপাশি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য ওই যুবতীর ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা হতে থাকে। গত ৩১ মার্চের একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত আজ্জাজ কমলেশ্বর নগরে যুবতীর হাত শক্ত করে ধরে তাঁকে জোরপূর্বক কলমা পড়াচ্ছে এবং তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্মান্তরকরণের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। নির্যাতিতা ক্রমাগত বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁকে ছাড় দেওয়া হয়নি। স্বামী বাড়ি ফিরে আসার পর নির্যাতিতা গোটা ঘটনাটি খুলে বলেন এবং সোনাগাঁও থানায় এফআইআর দায়ের করেন। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সমাজে নারী নিরাপত্তা ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলি নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, যা আগামী দিনে প্রশাসনের ওপর নজরদারির চাপ আরও বাড়াবে। পুলিশ ইতিমধ্যে ধর্মান্তরের চেষ্টা, ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেলিং এবং কালা জাদু বিরোধী আইনে মামলা রুজু করেছে। ধৃত দু’জনকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়ে পলাতক মৌলবীর খোঁজে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
In Nagpur, a married woman accused redical Islamists Ayaz Madar and Amir Sheikh of calling her to a hotel,
— सकल हिंदू समाज मुंबई 🚩 (@Sakalhindu_) June 15, 2026
giving her an intoxicating substance, blackmailing her, demanding ₹300,000, and pressuring her to convert her religion.
Following her complaint, the police arrested… pic.twitter.com/QA3DogDrli