সিএবি নির্বাচনে নয়া নাটক! কাঠগড়ায় খোদ নির্বাচনী অফিসার

সিএবি নির্বাচনে নয়া নাটক! কাঠগড়ায় খোদ নির্বাচনী অফিসার

কলকাতা: লোধা আইন অমান্য করে সিএবি-র যুগ্মসচিব পদে মদন ঘোষের থাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। বিস্তর টালবাহানার পর অবশেষে তাঁকে সরানো হলেও, ওই শূন্যপদে নতুন প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে ময়দানে ফের শুরু হয়েছে চরম নাটক!

শুক্রবার সিএবি-র অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামী ২০ জুলাই যুগ্মসচিব পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট চূড়ান্ত হতেই চরমে পৌঁছেছে বিতর্ক। কাঠগড়ায় খোদ নির্বাচনী অফিসার সুশান্ত রঞ্জন উপাধ্যায়! তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সিএবি-তে রীতিমতো লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে চার-চারটি অনুমোদিত সংস্থা।

সৌরভের সামনেই তীব্র আপত্তি প্রণব রায়ের:

টালিগঞ্জ, ফ্রেন্ডস অ্যাথলেটিক এবং নদিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার পাশাপাশি অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য তথা প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার প্রণব রায় খোদ নির্বাচনী অফিসারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। শুক্রবারের বৈঠক চলাকালীন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় খোদ আপত্তির কারণ জানতে চান। শোনা যাচ্ছে, প্রণব রায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি কারণ দর্শাতে বাধ্য নন, তবে তাঁর আপত্তির বিষয়টি যেন রেকর্ড করা হয়।

কী কী অভিযোগ উঠেছে সুশান্ত রঞ্জনের বিরুদ্ধে?

  • ২০১৯ সাল থেকে বারবার তাঁকেই নির্বাচনী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। অতীতে নির্বাচন চলাকালীন জমা পড়া অভিযোগগুলোর প্রতি তিনি যথাযথ নজর দেননি।
  • প্রার্থীদের যোগ্যতা এবং লোধা আইনের শর্ত পূরণের বিষয়টি তাঁর অধীনে সঠিকভাবে যাচাই করা হয়নি বলে বড়সড় সন্দেহ রয়েছে।
  • মনোনয়ন জমার ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে ‘দ্বিচারিতা’-র মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সব প্রার্থীকে সমান চোখে দেখা হয়নি এবং সরকারি নিয়মের বাইরে গিয়েও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বিক্ষুব্ধ সদস্যদের স্পষ্ট দাবি, সুশান্ত রঞ্জন উপাধ্যায়কে সরিয়ে এমন কাউকে অবিলম্বে দায়িত্ব দেওয়া হোক, যিনি স্বাধীনভাবে কাজ করবেন এবং যাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন উঠবে না। সব মিলিয়ে, ২০ জুলাইয়ের নির্বাচনের আগেই সিএবি-র নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে একরাশ প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে রইল বঙ্গ ক্রিকেটের অন্দরে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *