ভেড়ার গায়ে আকাশি-সাদা রং! ‘গোট’ মেসির বাংলাদেশি ভক্তের কাণ্ডে শোরগোল নেটপাড়ায়

ভেড়ার গায়ে আকাশি-সাদা রং! ‘গোট’ মেসির বাংলাদেশি ভক্তের কাণ্ডে শোরগোল নেটপাড়ায়

ঢাকা: ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা উন্মাদনা এক অন্য মাত্রায় পৌঁছায়। ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর সেই উন্মাদনা আরও বহুগুণ বেড়েছে। সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশে এমনই এক অদ্ভুত ও নজরকাড়া দৃশ্য দেখা গেল, যা নিয়ে নেটদুনিয়ায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক বাংলাদেশি যুবক আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এবং পিঠে জাতীয় পতাকা বেঁধে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। কিন্তু সবার নজর কেড়েছে তাঁর পিছনে হাঁটা একটি পোষ্য ভেড়া! আস্ত ভেড়াটির গায়ে মাখানো হয়েছে আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা রং। আর এই দৃশ্য ঘিরেই এখন দ্বিধাবিভক্ত ফুটবল ভক্তেরা।

কেন ভেড়ার গায়ে রং? (‘গোট’ তত্ত্ব)

লিয়োনেল মেসিকে তাঁর অগণিত ভক্তরা ভালোবেসে ‘গোট’ (G.O.A.T – Greatest of All Time বা সর্বকালের সেরা) বলে ডাকেন। ইংরেজিতে ‘Goat’ মানে ছাগল হলেও, অনেকের ধারণা, প্রিয় তারকাকে সম্মান জানাতেই ওই যুবক আক্ষরিক অর্থে একটি ভেড়াকে আর্জেন্টিনার রঙে রাঙিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছেন।

নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া:

যুবকের এই কাণ্ড দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে—

  • মেসির জাদুতে মুগ্ধ একাংশ: অনেক সমর্থক এই ঘটনায় বেশ মজা পেয়েছেন। তাঁদের মতে, এটি যুবকের বুদ্ধিদীপ্ত কাজ। লাতিন আমেরিকার ফুটবল জাদুতে বাংলাদেশ কতটা মুগ্ধ, পোষ্যকে আর্জেন্টিনার সমর্থক বানিয়ে ওই যুবক সেটাই প্রমাণ করেছেন।
  • সমালোচনায় সরব পশুপ্রেমীরা: অন্য একটি অংশের মতে, স্রেফ বিনোদনের জন্য কোনও অবলা পশুর গায়ে এভাবে কৃত্রিম রং লাগানো একেবারেই উচিত নয়। রঙের রাসায়নিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় পশুটির মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এই অবিবেচকের মতো কাজের জন্য তাঁরা যুবকের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

বিশ্বকাপে মেসির স্বপ্নের দৌড়:

উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন মেসি। প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। বিশ্বকাপে ১৬টি গোল করে মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ছুঁয়ে এখন শীর্ষস্থানে রয়েছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। আর মাত্র একটি গোল করলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন লিয়ো। আর তাঁর এই জাদুতন্ত্রেই যে ওপার বাংলা এখন বুঁদ, তা এই ঘটনা থেকেই স্পষ্ট!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *