বিচ্ছেদের পর জীবনের নতুন অধ্যায়ে ভালোবাসার খোঁজে এষা দেওল!

বিচ্ছেদের পর জীবনের নতুন অধ্যায়ে ভালোবাসার খোঁজে এষা দেওল!

বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি এষা দেওল ও ভরত তাখতানির দীর্ঘ ১১ বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটেছে। ২০২৪ সালের শুরুতে আকস্মিক বিচ্ছেদের ঘোষণার পর সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেম নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্র কন্যা এষা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি ঘটলেও প্রেমের প্রতি তাঁর চিরন্তন বিশ্বাস একটুও ম্লান হয়নি, বরং এই মুহূর্তে তিনি নিজের জীবনে প্রেম ও রোম্যান্স মারাত্মকভাবে মিস করছেন।

বিচ্ছেদের মতো কঠিন সময়ে দেওল পরিবারকে সবসময় পাশে পেয়েছেন এষা। তবে বিচ্ছেদের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে কোনো কাদা-ছোড়াছুড়িতে যাননি এই অভিনেত্রী। পেশাগত কারণে ব্যক্তিগত জীবন জনসমক্ষে চলে এলেও সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে পুরো বিষয়টি সামলেছেন তিনি। পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই তাঁরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রেমের প্রতি অবিচল বিশ্বাস

টিনসেল টাউনের রোম্যান্টিক ঘরানার মানুষ হিসেবে পরিচিত এষা দেওল জানান, অতীত জীবনের ভাঙা-গড়া ভালোবাসার মূল ধারণাকে বদলে দিতে পারে না। তাঁর মতে, অতীতেও তাঁর বয়ফ্রেন্ড ছিল এবং সেই সম্পর্কগুলোরও বিচ্ছেদ হয়েছে। এগুলোকে জীবনেরই অংশ হিসেবে দেখছেন তিনি। মা হেমা মালিনী এবং বাবা ধর্মেন্দ্রর নিঃশর্ত ভালোবাসা দেখে বড় হওয়া এষা মনে করেন, মানুষের জীবনে প্রেম ও রোম্যান্স সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তারকা জীবনের টানাপোড়েন ও প্রভাব

২০১২ সালে ব্যবসায়ী ভরত তাখতানির সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এষার দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের তুমুল আগ্রহ থাকলেও এষা বা ভরত কেউই এটি নিয়ে অতিরিক্ত চর্চা পছন্দ করেন না। বিচ্ছেদের এই সিদ্ধান্ত তাঁদের সন্তানদের ওপর যেন কোনো নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সেটিকে তাঁরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। জীবনের এই কঠিন রূপান্তরের সময়ে দুই সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ ও গোপনীয়তা বজায় রাখাই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *