‘দিদি নম্বর ওয়ান’ থেকে বিতাড়িত বিশ্বাসঘাতক! রচনাকে বেনজির আক্রমণ কল্যাণের

‘দিদি নম্বর ওয়ান’ থেকে বিতাড়িত বিশ্বাসঘাতক! রচনাকে বেনজির আক্রমণ কল্যাণের

চুঁচুড়া: রাজ্য রাজনীতিতে ফের নিজের ‘ঠোঁটকাটা’ মেজাজে ধরা দিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI) শিবিরে নাম লেখানো হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র বিষোদগার করে তিনি বললেন, “রচনা হুগলির ভূগোলই জানে না, উন্নয়ন করবে কী?”

রচনার বিরুদ্ধে কল্যাণের তোপ

শনিবার চুঁচুড়ায় তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বড় বড় বাইট দিচ্ছেন। কিন্তু তিনি হুগলির সাতটি বিধানসভার নামও হয়তো জানেন না। এলাকাতেই আসেন না, দু’বছর নিজের এলাকায় ছিলেন না। উনি তো শুধু আরবানার ফ্ল্যাট, বিমানবন্দর আর দিল্লি নিয়েই ব্যস্ত।”

রচনার তৃণমূল ছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে কল্যাণ আরও বলেন, “উনি বলছেন তৃণমূলের জন্য জেতেননি, নিজের জন্য জিতেছেন। আমি বলছি, আপনার কোনো দাম নেই। আপনি অভিনেত্রী ছিলেন, ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ করতেন বলে মানুষ ভিড় করত। আজ পাপের ফল ভোগ করছেন, সেখান থেকেও বিদায় হয়েছে। আসলে আপনি একজন বিশ্বাসঘাতক।” কল্যাণের কটাক্ষ, “এখন উনি ডাকলে পেপারওয়ালা আর দুধওয়ালা ছাড়া ওঁর বাড়ির দরজায় আর কেউ যাবে না।”

মিতালি বাগকে নিয়েও ক্ষোভ

শুধু রচনাই নন, এদিন আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন কল্যাণ। তিনি জানান, মিতালিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন তিনিই। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “চাষের জমিতে কাজ করা মিতালি আজ দলবদল করে বিরোধী শিবিরে। কিন্তু তাঁর পাশেও আজ কোনো কর্মী নেই, কার্যত তিনি গৃহবন্দি।”

একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে দলের দুই প্রাক্তন নেত্রীর বিরুদ্ধে কল্যাণের এই আক্রমণ কার্যত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *