১৫ বছরের দুর্নীতিতে কড়া পদক্ষেপ, তদন্তে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর কমিশন!

১৫ বছরের দুর্নীতিতে কড়া পদক্ষেপ, তদন্তে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর কমিশন!

২০১১ থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরে ঘটে যাওয়া আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্তে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত হয়েছে একটি স্বাধীন বিচারবিভাগীয় কমিশন, যার নেতৃত্বে থাকছেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। সম্প্রতি রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর এ বিষয়ে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

তদন্তের পরিধি ও লক্ষ্য: এই কমিশন বিগত ১৫ বছরের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড এবং সরকারি প্রকল্পের ফাইল খুঁটিয়ে পরীক্ষা করবে।

  • প্রধান দপ্তরসমূহ: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য ও সরবরাহ, পূর্ত, ভূমি এবং জিটিএ (GTA)-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ।
  • আলোচিত প্রকল্প: আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ, আমফান পুনর্বাসন এবং মিড-ডে মিলের মতো প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
  • অন্যান্য অভিযোগ: সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি গ্রেপ্তার এবং নিয়ম বহির্ভূত নির্মাণ—এই সমস্ত বিষয়ই তদন্তের আওতায় থাকছে।

কমিশনের মূল লক্ষ্য হলো দুর্নীতির শিকড় খুঁজে বের করা এবং প্রয়োজনে অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে সরকারি অর্থ পুনরুদ্ধার করা। এই কমিশন গঠনের মাধ্যমে গত দেড় দশকের প্রশাসনিক অনিয়মের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে চাইছে বর্তমান সরকার। এখন দেখার বিষয়, কত দ্রুত তদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ে এবং তার ভিত্তিতে কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *