বয়স তো শুধুই সংখ্যা! ৬৪ বছরের প্রেমের পর অবশেষে ছাদনাতলায় ৯৫-এর বর ও ৯০-এর কনে

বয়স তো শুধুই সংখ্যা! ৬৪ বছরের প্রেমের পর অবশেষে ছাদনাতলায় ৯৫-এর বর ও ৯০-এর কনে

ভালোবাসার কোনো বয়স নেই! আর বিয়ে মানেই যে শুধু যৌবনের উচ্ছ্বাস নয়, তা আবারও প্রমাণ করলেন কেনিয়ার এক বৃদ্ধ দম্পতি। টানা ৬৪ বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ৯৫ বছরের ইব্রাহিম এমবোগো এবং ৯০ বছরের তাবিথা ওয়ানগুই। কিন্তু বিয়ের জন্য ৬ দশকেরও বেশি সময় কেন অপেক্ষা করলেন তাঁরা? নবতিপর কনের উত্তর শুনে রীতিমতো হতবাক নেটদুনিয়া!

কেন এত দীর্ঘ অপেক্ষা? ৬৪ বছর ধরে একসঙ্গে কাটানোর পরও কেন বিয়ে করতে এত দেরি? এই প্রশ্নের উত্তরে কনে তাবিথা যা জানিয়েছেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তাঁর স্পষ্ট জবাব, “পুরুষদের মন খুব দ্রুত বদলায়!”

তাই প্রেমিক ইব্রাহিম সারাজীবন তাঁর পাশে অটল থাকবেন কি না এবং তাঁর প্রতি কতটা সৎ, সেটা যাচাই করতেই এতগুলো বছর সময় নিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ৬৪ বছরের কঠিন ‘বিশ্বাসের পরীক্ষায়’ ইব্রাহিম সসম্মানে উত্তীর্ণ হওয়ার পরই বিয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন তাবিথা।

এক নজরে এই রূপকথার প্রেম:

  • প্রেমের শুরু: ১৯৬০ সালে কেনিয়ার মুকুরউইনি এলাকায় প্রথম একে অপরের প্রেমে পড়েন ইব্রাহিম ও তাবিথা।
  • বিশ্বাসের পরীক্ষা: টানা ৬৪ বছর ধরে একে অপরের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস পোক্ত করেন দু’জনে।
  • অবশেষে পরিণয়: দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে পরিবার ও পরিজনদের উপস্থিতিতে আবেগঘন পরিবেশে আইনিভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন তাঁরা।

নেটপাড়ায় চর্চা তুঙ্গে এই বয়োজ্যেষ্ঠ দম্পতির বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে ৯০ বছরের কনের ‘পুরুষরা দ্রুত মন বদলান’ তত্ত্ব নিয়ে জেন-জি (Gen-Z) থেকে শুরু করে নেটিজেনদের মধ্যে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আজকের দিনের ঠুনকো ও ক্ষণস্থায়ী সম্পর্কের যুগে ইব্রাহিম ও তাবিথার এই ৬৪ বছরের প্রেম তরুণ প্রজন্মের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *