জল না পেয়ে পরমাণু হামলার হুমকি! মোদীর ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ হাঁটু কাঁপছে পাকিস্তানের

ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখায় রীতিমতো বিপাকে পড়েছে পাকিস্তান। জলের অভাবে ধুঁকতে থাকা ইসলামাবাদ এখন মরিয়া হয়ে ভারতকে সরাসরি যুদ্ধ ও পরমাণু হামলার হুমকি দিচ্ছে। তবে নরেন্দ্র মোদী সরকারও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। ভারতের কড়া বার্তা— আগে সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে, তবেই জল নিয়ে কোনও কথা হবে।
কী বলছে ভারত? ভারতের স্পষ্ট অবস্থান, ৬৫ বছরের পুরোনো এই চুক্তির এবার খোলনলচে বদলানো প্রয়োজন। মোদী সরকার পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ ও জলচুক্তি কখনওই একসঙ্গে চলতে পারে না। ভবিষ্যতে এই চুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা করতে হলে, পাকিস্তানকে আগে প্রমাণ করতে হবে যে তারা সীমান্ত সন্ত্রাস সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করেছে।
খবরের মূল হাইলাইটস:
- যুদ্ধের হুমকি: সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তানের সেনা ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভারতকে লাগাতার যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে। জলপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হলে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
- ভিত্তিহীন অভিযোগ: দিল্লির দাবি, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মিথ্যে ন্যারেটিভ তৈরি করছে পাকিস্তান। পর্যাপ্ত জলাধারের অভাব এবং ব্যাপক অপচয়ের কারণেই পাকিস্তানে জলসঙ্কট তৈরি হয়েছে, এর জন্য ভারতের সিদ্ধান্ত দায়ী নয়।
- ভারতের কড়া অবস্থান: এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে সিন্ধু জলচুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া ভারত শুরু করছে না। তবে দেশের স্বার্থবিরোধী প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল করার পূর্ণ অধিকার নয়াদিল্লির রয়েছে।
প্রেক্ষাপট: গত বছর এপ্রিলে পহেলগাঁও হামলার পরেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক কড়া পদক্ষেপ নেয় দিল্লি। তারই অঙ্গ হিসেবে সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখা হয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় হওয়া এই চুক্তি অনুযায়ী ইরাবতী, বিপাশা ও শতদ্রুর উপর ভারতের অধিকার রয়েছে এবং সিন্ধু, বিতস্তা ও চন্দ্রভাগার নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের হাতে। তবে পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ না করলে এই চুক্তির ভবিষ্যৎ বিশ বাঁও জলে।