কানাডার কাছে অনুদান পেতেই ভারতের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র পাকিস্তানের!

অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের দেউলিয়া দশা ফের একবার বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মহলে সাহায্যের জন্য হাত পাতার পুরোনো অভ্যাস বজায় রেখে পাকিস্তান এবার কানাডার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা অনুদান আদায় করেছে। দুই দশকের দীর্ঘ বিরতির পর কানাডার কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাকিস্তান সফরকালে শাহবাজ শরিফ সরকার এই সুযোগের পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করেছে।
কানাডার ভারতীয় বংশোদ্ভূত পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দের পাকিস্তান সফর চলাকালীন দেশটির জন্য ৪৭ মিলিয়ন ডলারের একটি নতুন আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ, বেলুচিস্তানের গণঅভ্যুত্থান এবং নিজ মাটিতে সন্ত্রাসবাদের কারণে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তান অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে বিদেশি শক্তির ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অতীতে আমেরিকার কাছে হাত পাতার পর এবার কানাডার কাছ থেকেও অনুদান আদায় করল দেশটি।
ভারত ও কাশ্মীর নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র
কানাডার কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরই নিজেদের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ভারতের বিরুদ্ধে বিষোদগার শুরু করেছে পাকিস্তান। বৈঠকে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি স্থগিত করার বিষয়ে কানাডার কাছে নালিশ জানিয়ে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার আবেদন করেছে ইসলামাবাদ। পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের কঠোর পদক্ষেপে দিশাহারা হয়ে পড়া পাকিস্তানি নেতৃত্ব নিজেদের কূটকৌশল হিসেবে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে কাশ্মীর ইস্যুটিও নতুন করে উত্থাপন করেছে। জানা গেছে, পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের সঙ্গে কানাডীয় মন্ত্রীর গোপন বৈঠকেও এই ভারত-বিরোধী কূটনীতির নীল নকশা তৈরি হয়েছিল।
একদিকে দেশের সাধারণ মানুষকে মৌলিক সুযোগ-সুবিধা দিতে ব্যর্থ হয়ে বিশ্বজুড়ে ঋণের জন্য হাত পাতা এবং অন্যদিকে ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারে অর্থ অপচয় করা—সব মিলিয়ে পাকিস্তানের দ্বিমুখী চরিত্র আজ আন্তর্জাতিক মহলে আবারও বেআব্রু হয়ে পড়েছে।