“২০-২৫ কোটিতে আর চার্ম নেই!” বীরভূমের সোনা ও নগদ উদ্ধার হতেই বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বীরভূমের মহম্মদবাজারে পাথর ব্যবসায়ী ও তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে বিশাল পুলিশি অভিযানে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার বেশি নগদ এবং পনেরো কেজি সোনা উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন বিরোধীরা শাসকদলকে আক্রমণ শানাতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঠিক কী বলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়?
বীরভূমের এই তল্লাশি অভিযান এবং রাজনৈতিক পোস্টকে হাতিয়ার করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বীরভূম জেলা তো একটা স্পেশাল জোন হিসেবে ছিল। এতদিন ধরে তো বলেছে যে বাঘ গোটা বীরভূম জেলা নিয়ন্ত্রণ করত। টুলু মণ্ডল তো একটা নাম, এর পিছনে কারা রয়েছে? এবার বলুন, যাঁরা আজকে ভালো তৃণমূল হয়ে গিয়েছেন, যিনি আজকে এনডিএ-র শরিক হয়ে গিয়েছেন, তাঁদের গ্রেফতার হবে কি না—বাংলার মানুষ আজ সেটাই জানতে চায়।”
এরপরই দুর্নীতির টাকার অঙ্ক নিয়ে আক্রমণ শানিয়ে কল্যাণ বলেন, “২০ কোটি, ২৫ কোটি, ৩০ কোটি… এগুলোতে আর কোনো চার্ম নেই। আসল চার্ম হলো এই ‘ভালো তৃণমূল’, যেগুলো ওনার বি-টিমের মধ্যে রয়েছে এবং যে সাংসদরা ওই নতুন কো ম্পা নিতে গিয়ে এনডিএ-র শরিক হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সরকার কী পদক্ষেপ করবে সেটা বলুন।”
বীরভূমের চাঞ্চল্যকর উদ্ধারকার্য
উল্লেখ্য, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বীরভূমের মহম্মদবাজারে কুখ্যাত বালি ও পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয় মিনারের আস্তানায় সাঁড়াশি অভিযান চালায় পুলিশ। টাকা গোনার মেশিন ও অসংখ্য ট্রাঙ্ক নিয়ে এসে সেই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও সোনা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে, আর তার মাঝেই কল্যাণের এই মন্তব্য নতুন করে জল্পনার সৃষ্টি করেছে।